Monday, 24 August 2015

কাবা ঘরে আজ মুসলিমরা ১ ইমামের পিছনে সালাত আদায় করছে : জাহেলি যুগ ছিল যখন ৪ মাযাহবের জন্য আলাদা আলাদা জামাত হত

কাবা ঘরে আজ মুসলিমরা ১ ইমামের পিছনে সালাত আদায় করছে, তবে একসময় এমন জাহেলি যুগ ছিল যখন ৪ মাযাহবের জন্য আলাদা আলাদা জামাত হত !!
৮০১ হিজরিতে তুরকি শাসকরা মুসলিম জাতির প্রাণকেন্দ্র কাবা গৃহে ৪ মাজহাবের নামাযের জন্য ৪টি আলাদা আলাদা মুছাল্লা (ইমামের দাঁড়ানোর জায়গা) তৈরি করে। ৪ মাজহাবি ইমাম আলাদা আলাদা ভাবে নামায পড়াত। ফলে মুসলিম জাতি ৪ ভগে ভাগ হয়ে জাহেলিয়াতের মধ্যে ডুবে যায়।
পরে ১৩৪৩ হিজরিতে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা সাম্মানিত বাদশাহ আব্দুল আযিয আল সাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) ওই ৪ মুছাল্লা ভেঙ্গে ফেলেন। ফলে কুরআন-হাদিসের বিধান মত মুসলিম জাতি আবার ইব্রাহিমি মুছাল্লায় ১ ইমামের পিছনে নামায আদায় সুযোগ পেয়েছে। যা আজও চালু আছে।

Saturday, 22 August 2015

প্রকৃত মাযহাবের নাম হলো ইসলাম : ইসলাম কিভাবে মাযহাব হয়

‪#‎মাযহাব_মানতে_হবে_কেননা_মাযহাব‬
মেনেছেন ইমামরা, আর আমরাও মাযহাবের মধ্যই আছি,,
আমাদের মধ্য কিছু ভুল বুযাবুযির কারনে
আমরা নিজেদের মধ্য অহেতুক হিংসা
পোষন করি, আর বলি যে, লা মাযহাবি
আবার কেউ বলি যে হানাফি,, আসলে
আমাদের প্রকৃত মাযহাব কি আর সেই
মাযহাবে আমাদের পরিচয় কি,?
মাযহাব অর্থ হলো চলার পথ বা গোত্র
মাযহাব শব্দটা এসেছে ( দাহাবা) আরবি
শব্দ থেকে,, যার অর্থ চলার পথ। তাহলে
আমাদের চলার পথ আছে কি নাই,?
যদি বলি অবশ্যই আছে, তাহলে সেই
প্রকৃত মাযহাবের নাম কি,,, সেই প্রকৃত
মাযহাবের নাম হলো ইসলাম,,,
আর আল্লাহর নিকট মনোনিত ধর্ম
হলো, ইসলাম,,,
ভাই আমার বুযার চেষ্টা করুন,, ইসলাম
কিভাবে মাযহাব হয়! ‪#‎উদাহারনঃ_‬
★একটি লোক অন্য ধর্ম ত্যাগ করে,
সঠিক পথে চলতে চায়,, তাহলে সে কোন
পথে আসবে, আপনি অবশ্যই বলবেন
ইসলামে,, কেননা ইসলাম হলো সেই পথ
যা জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়,, আর অন্য
ধর্মের পথ হলো জাহান্নামের খুটি,!
কোন লোক যদি কালেমা,, "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ্,, বলে
তাহলে সে কোন মাযহাবে প্রবেশ করলো?
অবশ্যই জবাব দিবেন ইসলামের মধ্য
প্রবেশ করলো,,, তাহলে সে যখন ইসলামে
প্রবেশ করে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন শুরু করতে লাগল, মুল উৎস কুরআন আর
হাদিস থেকে, তাহলে কিভাবে আপনি
তাকে,, লা মাযহাবি বলেন,,,
আর কিভাবে তাকে হানাফি বলেন,,
যদি তাকে বলেনই তাকে মুসলিম
বলতে পারতেন,,কেননা সে তার সকল
ইচ্ছাকে বাদ দিয়ে অন্য ধর্ম ত্যাগ করে
ইসলাম নামের শান্তির পথে চলছে,,
আর যে ব্যক্তি নিজের সকল ইচ্ছাকে
আল্লাহর নিকট আত্বসমর্পন করে, তাকেই
বলে মুসলিম,, তাই হে আমার ভাইয়েরা
আমাদের পরিচয়,, কোন পীর ভাই না!
আমাদের পরিচয়,, কোন সাত কলি টুপি
না,, আমাদের পরিচয় কোন মুরিদ না,,
আমাদের পরিচয় কোন হানাফি না,,
আমাদের পরিচয় কোন, লা মাযহাবি
না,,, আমাদের পরিচয় আমরা মুসলিম,,
আমরা সবাই দ্বীনি ভাই,,, কুরআন আর
সহিহ সুন্নায় জীবন মরন বিলিয়ে দেই।
আমরা সকলে,, এক আল্লাহর বান্দা
ইসলামের শত্রু নাস্তিকদের সুষ্ট জবাব
দিতে চাই,,, তাই আবার আমরা ঐকবদ্ধ
হতে চাই,?
COMMENTS:- 

  • আলি হোসেন মাহিম #আপনার সাথে একমত।আমি নিজেকে একজন মুসলিম হিসেবে জানি জানব। নই হানাফি কিংবা শাফি।
    কিন্তু যারা হানাফি অনুসরণ করে তাদের এই বিষয়টি বুঝানো কঠিন যে আমাদের পরিচয় আমরা মুসলিম এবং আমাদের আদর্শ নেতা নবী করিম (সঃ)
  • +++++++++++++++++
  • Belal Hosen মাজহাব কেন মানবো ভাই? মাজহাব মানা তো আর ফরজ না, সুন্নাত না, নফলও না। রাসুল (স:) এর কোনো হাদিসও না , আল্লাহ'র কোনো বিধান না। আমরা মানবো শুধু রাসুল (স:) বলে যাওয়া দুটি কথার উপর। সেটা হচ্ছে আল-কোর'অন ও হাদিস (সুন্নাহ)। বিদায় হজে তো তিনি এ কথায় বলে গেছেন যে - "তোমরা আমার {রাসুল (স:) এর } রেখে যাওয়া দুটি জিনিসকে আঁকড়ে ধরবে , সেটা হচ্ছে আল-কোর'অন ও হাদিস (সুন্নাহ), তাহলে তোমরা কখনো পথ ভ্রষ্ট হবে না।
  • ++++++++++++++++
  • Ali Amzad য়ে বিষয়ে তোমার যথাযথ জ্ঞান নেই অনুমানের দ্বারা পরিচালিত হয়ো না (১৭: ৩৬) আল কুরআন.
  • Ali Amzad আমরা সকলেই নবী মুহাম্মদ রাসূল (স:) এর মাহযাবের অনুসারী , চার ইমাম সন্মানিত ও জ্ঞানী ব্যক্তি তাদের শ্রদ্ধাকরি ।
  • +++++++++++++++++
    Mohammad Shoyab যদি কোর আন ও সহীহ হদিসের সাথে না মিলে তাহলে ডাঃ জাকির নায়েককে অনুসরন করার দরকার নাই । শুধু বিশ্ব নবী সাঃ কে সকল বিষয়ে অনুসরন করলেই বেহেস্ত নশ্চিৎ। তার জন্য রয়েছে মহা পবিত্র আল কোরআন ও সহীহ হাদিস। আর যদি ডাঃ নায়েকের কথা কোরআন সহীহও সুন্নাহ এর সাথে মিলে যায় তা হলে মানতে অসুবিধা কোথায়?

Monday, 17 August 2015

চার মাযহাব অনুসরণ করা হারাম

News Feed

চার মাযহাব অনুসরণ করা হারাম।"
এটা কুরআন, হাদিস, ইজমা এবং ক্বিয়াস দ্বারা প্রমাণিত।
---------------------কুরআন----------------------.
কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,"তোমাদের প্রতি তোমাদের
রব এর পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে তোমরা তার অনুসরণ
কর এবং তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোন অভিবাবক এর
অনুসরণ করো না। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ করে
থাক।" (সুরা আরাফ:৩)
আল্লাহ তা'আলা,"ডান পাশ থেকে যা আসে তার অনুসরণ
কর, বাম পাশ থেকে যা আসে তার অনুসরণ কর, নিচ থেকে যা
আসে তার অনুসরণ কর, ইমাম আবু হানিফা থেকে যা আসে
তার অনুসরণ কর, চার মাযহাব থেকে যা আসে তার অনুসরণ
কর" এমন কথা বলেন নি।
আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,"তোমাদের প্রতি তোমাদের রব এর
পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে তোমরা তার অনুসরণ কর।"
নাযিল মানে উপর থেকে নিচে আসা। আর রব এর পক্ষ থেকে যা
নাযিল করা হয়েছে মানে আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে যা
রাসুল (সা:) এর প্রতি নাযিল করা হয়েছে তার অনুসরণ করা।
আর রাসুল (সা:) এর প্রতি নাযিল করা হয়েছে কুরআন এবং
সুন্নাহ। অতএব কুরআন এবং সুন্নাহ'ই মানতে হবে। কোন চার
মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে না। কুরআন দ্বারা প্রমাণিত
হল।
--------------------হাদিস--------------------
রাসুল (সা:) বলেছেন,"নিশ্চয়ই (দ্বীনের মধ্যে) সকল প্রকার
নতুন কাজ বিদ'আত। প্রত্যেক বিদ'আত ভ্রষ্টতা। আর প্রত্যেক
ভ্রষ্টের পরিণাম জাহান্নাম।" ( Bukhary H/2697, Muslim
H/1718, Abudaud H/4606, Ebnemaza H/14)
চার মাযহাব পদ্ধতি দ্বীনের মধ্যে যুক্ত হয়েছে ৪০০( Hujatulla
balega Pg No-152) হিজরীতে। তখন কিছু উলামা দ্বীনের মধ্যে
এই নতুন কাজ তৈরী করেছিল। অথচ রাসুল (সা:) এগুলোকে
বিদ'আত বলেছেন। যা একটি ভ্রষ্টতা এবং যার পরিণাম হল
জাহান্নাম। অতএব কোন চার মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে
না। হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হল।
-------------------------ইজমা:---------------
-------------
"চার মাযহাব পদ্ধতি অনুসরণ করা হারাম। কারণ এটি একটি
জঘণ্য বিদ'আত। যার পরিণাম হল জাহান্নাম।" এই ব্যাপারে
আমাদের মধ্যে ইজমা আছে। শুধু আমাদের মধ্যেই নয়, আমাদের
আলেমদের মধ্যেও এই ব্যাপারে ইজমা আছে। অতএব কোন চার
মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে না। ইজমা দ্বারা প্রমাণিত
হল।
--------------------------ক্বিয়াস------------
------------------
ক্বিয়াসটি হল, রাসুল (সা:) আল্লাহর পক্ষ হতে যে শরীয়ত
নিয়ে এসেছেন, যে শরীয়ত কায়েম করার জন্য আল্লাহ
তা'আলা রাসুল (সা:) কে নির্দেশ দিয়েছেন, সেই শরীয়তকে
কিভাবে পরবর্তী আলেমগণ যারা রাসুল (সা:) এর মৃত্যুর
প্রায় ৩৮৫+ বছর পর এসেছে, তারা এটাকে ভেঙ্গে, টুকরো টুকরো
করে চারটি ভাবে বিভক্ত করে? অথচ এই অনুমতি আল্লাহ
তাদেরকে দেন নি। এক ইসলাম কে চারটি ভাবে বিভক্ত করার
ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলা কোন ওয়াহী নাযিল করেন নি।
তাই নি:সন্দেহে বলা যায়, চার মাযহাব পদ্ধতি একটি
শয়তানী আবিষ্কার। যা শয়তান হুজুরদেরকে ওয়াহী করেছে,
ফলে তারা চার মাযহাব পদ্ধতি বানিয়েছে এবং তার প্রচার
ও প্রসার করতেছে। অতএব এই সকল শয়তানী কাজ থেকে বিরত
থেকে আল্লাহর পক্ষ থেকে যে এক ইসলাম এসেছে সেই
ইসলামকেই মানা যুক্তি (কিয়াস) সঙ্গত।
অতএব কোন চার মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে না। ক্বিয়াস
দ্বারা প্রমাণিত হল। —
আসুন আমরা সকলেই কোরান এবং সহিহ সুন্নাহর সুশীতল
ছায়াতলে সমবেত হই , কেননা আমাদের প্রিয় নবী হযরত
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম আমাদের জন্য
দুটি বস্তু রেখে গেছেন(কোরআনও সুন্নাহ), তৃতীয় কোনো জিনিস রেখে যাননি, যা
গোমড়াহীর রাস্তা, আল্লাহ পাক আমাদেরকে হক্ব বুঝার
তৌফিক দান করেন. . . . . . . .
আবু আব্দুল্লাহ ভাই এর পোষ্ট থেকে নেওয়া