Monday, 17 August 2015

চার মাযহাব অনুসরণ করা হারাম

News Feed

চার মাযহাব অনুসরণ করা হারাম।"
এটা কুরআন, হাদিস, ইজমা এবং ক্বিয়াস দ্বারা প্রমাণিত।
---------------------কুরআন----------------------.
কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,"তোমাদের প্রতি তোমাদের
রব এর পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে তোমরা তার অনুসরণ
কর এবং তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোন অভিবাবক এর
অনুসরণ করো না। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ করে
থাক।" (সুরা আরাফ:৩)
আল্লাহ তা'আলা,"ডান পাশ থেকে যা আসে তার অনুসরণ
কর, বাম পাশ থেকে যা আসে তার অনুসরণ কর, নিচ থেকে যা
আসে তার অনুসরণ কর, ইমাম আবু হানিফা থেকে যা আসে
তার অনুসরণ কর, চার মাযহাব থেকে যা আসে তার অনুসরণ
কর" এমন কথা বলেন নি।
আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,"তোমাদের প্রতি তোমাদের রব এর
পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে তোমরা তার অনুসরণ কর।"
নাযিল মানে উপর থেকে নিচে আসা। আর রব এর পক্ষ থেকে যা
নাযিল করা হয়েছে মানে আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে যা
রাসুল (সা:) এর প্রতি নাযিল করা হয়েছে তার অনুসরণ করা।
আর রাসুল (সা:) এর প্রতি নাযিল করা হয়েছে কুরআন এবং
সুন্নাহ। অতএব কুরআন এবং সুন্নাহ'ই মানতে হবে। কোন চার
মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে না। কুরআন দ্বারা প্রমাণিত
হল।
--------------------হাদিস--------------------
রাসুল (সা:) বলেছেন,"নিশ্চয়ই (দ্বীনের মধ্যে) সকল প্রকার
নতুন কাজ বিদ'আত। প্রত্যেক বিদ'আত ভ্রষ্টতা। আর প্রত্যেক
ভ্রষ্টের পরিণাম জাহান্নাম।" ( Bukhary H/2697, Muslim
H/1718, Abudaud H/4606, Ebnemaza H/14)
চার মাযহাব পদ্ধতি দ্বীনের মধ্যে যুক্ত হয়েছে ৪০০( Hujatulla
balega Pg No-152) হিজরীতে। তখন কিছু উলামা দ্বীনের মধ্যে
এই নতুন কাজ তৈরী করেছিল। অথচ রাসুল (সা:) এগুলোকে
বিদ'আত বলেছেন। যা একটি ভ্রষ্টতা এবং যার পরিণাম হল
জাহান্নাম। অতএব কোন চার মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে
না। হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হল।
-------------------------ইজমা:---------------
-------------
"চার মাযহাব পদ্ধতি অনুসরণ করা হারাম। কারণ এটি একটি
জঘণ্য বিদ'আত। যার পরিণাম হল জাহান্নাম।" এই ব্যাপারে
আমাদের মধ্যে ইজমা আছে। শুধু আমাদের মধ্যেই নয়, আমাদের
আলেমদের মধ্যেও এই ব্যাপারে ইজমা আছে। অতএব কোন চার
মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে না। ইজমা দ্বারা প্রমাণিত
হল।
--------------------------ক্বিয়াস------------
------------------
ক্বিয়াসটি হল, রাসুল (সা:) আল্লাহর পক্ষ হতে যে শরীয়ত
নিয়ে এসেছেন, যে শরীয়ত কায়েম করার জন্য আল্লাহ
তা'আলা রাসুল (সা:) কে নির্দেশ দিয়েছেন, সেই শরীয়তকে
কিভাবে পরবর্তী আলেমগণ যারা রাসুল (সা:) এর মৃত্যুর
প্রায় ৩৮৫+ বছর পর এসেছে, তারা এটাকে ভেঙ্গে, টুকরো টুকরো
করে চারটি ভাবে বিভক্ত করে? অথচ এই অনুমতি আল্লাহ
তাদেরকে দেন নি। এক ইসলাম কে চারটি ভাবে বিভক্ত করার
ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলা কোন ওয়াহী নাযিল করেন নি।
তাই নি:সন্দেহে বলা যায়, চার মাযহাব পদ্ধতি একটি
শয়তানী আবিষ্কার। যা শয়তান হুজুরদেরকে ওয়াহী করেছে,
ফলে তারা চার মাযহাব পদ্ধতি বানিয়েছে এবং তার প্রচার
ও প্রসার করতেছে। অতএব এই সকল শয়তানী কাজ থেকে বিরত
থেকে আল্লাহর পক্ষ থেকে যে এক ইসলাম এসেছে সেই
ইসলামকেই মানা যুক্তি (কিয়াস) সঙ্গত।
অতএব কোন চার মাযহাব পদ্ধতি মানা যাবে না। ক্বিয়াস
দ্বারা প্রমাণিত হল। —
আসুন আমরা সকলেই কোরান এবং সহিহ সুন্নাহর সুশীতল
ছায়াতলে সমবেত হই , কেননা আমাদের প্রিয় নবী হযরত
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম আমাদের জন্য
দুটি বস্তু রেখে গেছেন(কোরআনও সুন্নাহ), তৃতীয় কোনো জিনিস রেখে যাননি, যা
গোমড়াহীর রাস্তা, আল্লাহ পাক আমাদেরকে হক্ব বুঝার
তৌফিক দান করেন. . . . . . . .
আবু আব্দুল্লাহ ভাই এর পোষ্ট থেকে নেওয়া

No comments:

Post a Comment