Monday, 16 November 2015

দানব,মানব,পীর,অলী, ইহুদী,খ্রীষ্টান,শয়তানের ইবাদত করার জন্য আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেন নাই?একমাএ আল্লাহর ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন

★★★★★★★★★★★★
******************************
*****************************
দানব,মানব,পীর,অলী,আওলিয়া,
ইহুদী,খ্রীষ্টান, বুজুর্গ ও শয়তানের
ইবাদত করার জন্য আল্লাহ মানুষ
সৃষ্টি করেন নাই? একমাএ আল্লাহর
ইবাদত করার জন্য দানব,মানব
সৃষ্টি করেছেন।
******************************
******************************
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ -
"তাদেরকে বলা হবে,তারা কোথায়
তোমরা যাদের ইবাদত করতে আল্লা
হর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে অথবা তারা কি আত্মরক্ষা করতে সক্ষম? অতঃপর তাদেরকে ও পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে
নিক্ষেপ করা হবে।এবং ইবলীসের বাহিনীর সবকেও।"
(সুরা শূআরা/২৬ঃ৯২-৯৫আয়াত)
তিনি বলেনঃ"ফিরিশতাদেরকে বলা হইবে,একএ কর জালিম ও উহাদের সহচরগনকে এবং উহাদেরকে যাহাদে র ইবাদত করিত তাহারা আল্লাহর পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে।" (সুরা সাফফাত/৩৭:২২-২৩ আয়াত)
রাসুল (সঃ) বলেছেনঃ"রোজ কিয়াম তে আল্লাহ পাক সকল মানুষকে এক এ করিয়া বলিবেন দুনিয়ায় তোমরা
যে যাহার ইবাদত করিয়াছিলে আজ
তাহারই অনুসরন কর।"
(সহীহ মুসলিম)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ- "যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবক রুপে গ্রহন করে তারা বলেঃআমরা তো এদের ইবাদত এজন্যই করি যে, এরা আমাদের আল্লাহর সান্নিধ্যে এনে দিবে।তারা যে বিষয়ে পরস্পরের মধ্যে মতভেদ করছে আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে এর ফায়সালা করে দিবেন।নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা এমন ব্যক্তিকে হিদায়াত দান করেন না যে জঘন্য মিথ্যুক সত্যপ্রত্যাখ্যানকারী।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তারা তাদের আলেম দেরকে ও ধর্মযাজকদেরকে তাদের প্রভুরুপে গ্রহন করিয়াছে।"
(সুরা তওবা/৯ঃ৩১ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তাদের অধিকাংশ আল্লাহর উপর ঈমান রাখে,কিন্তু তারা মুশরিক।"
(সুরা ইউসুফ/১২ঃ১০৬ অায়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি কি দয়াময় আল্লাহ ব্যতিত কোন দেবতা স্হির করে ছিলাম যার ইবাদত করা যায়।"
(সুরা যুখরুপ/৪৩ঃ৪৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি সৃষ্টি করেছি জাহান্নামের জন্য এমন অনেক জ্বিন ও মানুষ যাদের অন্তর আছে বটে কিন্তু তা দিয়ে তারা বোঝেনা,তাদের চোখ আছে কিন্তু তাদিয়ে তারা দেখে না এবং তাদের কান আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা শোনে না তারা চতুসপদ জন্তুর ন্যায় বরং তারা তার চেয়েও নিকৃষ্টতর তারাই গাফেল উদাসীন।"
(সুরা আ'রাফ/৭ঃ১৭৯ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"হে আদম সন্তান
! আমি কি তোমাদেরকে নির্দেশ দিই নাই যে,তোমরা শয়তানের ইবাদত/দাসত্ব করিও না,কারন সে তো তোমা
দের প্রকাশ্য শক্র? আর আমারই ইবাদত/দাসত্ব কর,এটাই সরল পথ।"
(সুরা ইয়াসীন/৩৬ঃ৬০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আল্লাহর ইবাদত করি বার ও তাগুতকে বর্জন করিবার নির্দে
শ দিবার জন্য আমি তো প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রাসুল পাঠাইয়াছি। অতঃপর উহাদের কতককে আল্লাহ্ সৎপথে পরিচালিত করেন এবং উহা
দের কতকের উপর পথভ্রান্তি সাব্যস্ত
হয়েছিল।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৩৬ আয়াত)
কুরঅানেরর পরিভাষায় তাগুত বলা
হয় এমন ব্যক্তিকে যে বন্দেগী ও দাষ ত্বের সীমালংঘন করে নিজেই আল্লাহ
হওয়ার ভান করে এবংআল্লাহর বান্দা
দেরকে নিজের বন্দেগী বা দাষত্ব কর তে বাধ্য করে।অন্য কথায়,যে ব্যক্তি আল্লাহর বিদ্রোহী হয়ে তাঁরই রাজ্যে তাঁরই প্রজাদের উপর নিজের আইন ও হুকুমাত চালাতে শুরু করে তারাই-তাগুত।এই ইবলীশ শয়তানের দল আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে নিজেরা আমলের বিধান দিয়ে মাবুদ হয়ে ইবাদতের আসনে বসে আছে।আল্লা হ তা'আলা তো জাহান্নাম ও জাহান্না মীদেরকেও সৃষ্টি করেছেন।শয়তান
এবং কাফিরদের এ জন্যেই সৃষ্টি করা হয়েছে।তিনি স্বীয় বান্দাদের কুফরীর উপর কখনো সন্তুষ্ট নন। এই ইবলীশ শয়তানের দলই জাহান্নামী।
কুরআনও সহীহ সুন্নাহ অনুসরনকা রীদের মধ্য হতে যাকে ইচ্ছা তাকে আল্লাহ তাঁর ইবাদত করাবে এটা এক মাএ আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।আল্লাহ তাদেরকে তাঁর ইবাদত করান না, যারা মানব,দানব রচিত মনগড়া বানোয়াট কিতাবের আমল
করে,যেমনঃ-শিখা চিরন্তন ও শিখা অনির্বান প্রজুলন ও এগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা,মংগল প্রদীপ জ্বা লানো,শহীদ মিনারে ও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাভরে নগ্নপদে মুর্তি-পুজারীদের মতো পুস্পস্তবক অর্পন করা,যাদু,সুতা ,তাগা,তাবিজ ব্যবহার কারা,মিলাদ, সাবিনা,মৃত্যু দিবস কুরঅানখানী, একের অধিক একসংগে শব্দ করে কুর আন খতম,উচ্চ স্বরে জিকির করা,ফা তিহা ইয়াজদহম,শবে মিরাজ,ওরস অনুষ্ঠান,মাজার পুজা,শবে বরাত পা লন,মৃত ব্যক্তির নিকট কুরঅান পড়া, জশনে জৌলুস,ঈদে মিলাদুন্নবী,চল্লি শা পালন,বিশ্ব ইজতেমা,ঘরসংসার ছেড়ে চিল্লায়গমনকারী,এবংবিড়িখো র,গাজাখোর,মদখোর,ঘুষখোর,সুদখোর সকল নেশাখোর, এদেরকে আ ল্লাহ তাঁর ইবাদত করাতে পারেন না, করাবেন না;যতক্ষন পর্যন্ত তারা তও বা করে,আল্লাহর নিকট আত্মসর্ম্পন কারী (মুসলিম) না হবে। আল্লাহ মহাক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
ইব্রাহীম ও ইসমাইল (আঃ) আল্লাহর
নিকট পার্থনা করলেনঃ-"হে আমার প্রতিপালক! আমাদেরকে ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি দেখাইয়া দাও এবং আ মাদের প্রতি ক্ষমাশীল হও।তুমি অত্যান্ত ক্ষমাশীল,পরম দয়ালু।"
(সুরা বাকারা/২ঃ১২৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলাবলেনঃ-
"আল্লাহ ইব্রাহীমকে মনোনীত করি য়াছিলেন এবং তাঁহাকে পরিচালিত করিয়া ছিলেন সরল পথে।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ১২১ আয়াত)
তিনি রাসুলকে বলেন,আপনি বলেদি নঃ "আমার প্রতিপালক তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন।উহা ই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন (ইসলাম) ইব্রাহী মের ধর্মদার্শ,সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে মুশরিকদের অন্তভূক্ত ছিলনা।"
(সুরা আনআম/৬ঃ১৬১ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
কুরআনকে করেছি এক জ্যোতি যার সাহায্যে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করে থাকি।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ১৫-১৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আল্লাহ
কুরআনের মাধ্যমে অনেকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন আর এর দ্বারা তিনি ফাসিকদেরকে বিপথগামী করে থাকেন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২৬ আয়াত)
আল্লাহ এবং তদীয় রাসুলুল্লাহ (সঃ) যা পালন করতে নির্দেশ প্রদান করে ছেন এবং যা থেকে বিরত বা দূরে থাকতে বলেছেন সে গুলোকে যথাযথ ভাবে পালন করার নামই হল ইবাদত।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৩৬,সুরা হিজর /২৫ঃ৯৯ ও সুরা আম্বিয়া/২১ঃ২৫
আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"যে ব্যক্তি তার রব্বের সাক্ষাৎ লাভের (জান্নাতি হওয়ার) অাশা রাখে সে যেন নেক কাজ করে।তার রব্বের ইবা দতে অন্য কাউকে শরীক না করে।"
(সুরা কাহফ/১৮ঃ১১০ আয়াত)
কুরঅান অনুসরনই আল্লাহর ইবাদ ত ,মহান আল্লাহতা'আলা বলেনঃ- "আমি তোমার নিকট এই কিতাব (কু রআন) সত্যসহ অবতীর্ন করিয়াছি। সুতরাং আল্লাহর ইবাদত কর তাঁহার আনুগত্য বিশুদ্ধচিত্ত হইয়া।"
(সুরা যুমার /৩৯ঃ২ আয়াত)
তিনি তাঁর নাবীকে বলেন,তুমি বল, আমি তো আদিষ্ট হইয়াছি আল্লাহর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হইয়া তাঁহার ইবা দত (বন্দেগী) করিতে;আর আমাকে হুকুম করা হয়েছে যে,সকলের আগে আমি নিজে মুসলিম (আত্মসর্ম্পন কারী) হই।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ১১-১২আয়াত)
তিনি আরো বলেন,তুমি বলঃ"আমা
র সালাত/নামাজ,আমার ইবাদত,
আমার জীবন ও আমার মরন জগত সমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই উদ্দে শ্যে।তাঁহার কোন শরীক নাই এবং আমি ইহারই জন্য আদিষ্ট হইয়াছি
এবং আমিই প্রথম মুসলিম।"
(সুরা আনআম/৬ঃ১৬২-১৬৪ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তোমরা মুসলিম হওয়া র পর সে কি তোমাদেরকে কুফরীর নির্দেশ দিবে?"
(সুরা ইমরান/৩ঃ৮০ আয়াত)
আল্লাহর 'ইবাদত পদ্ধতি' 'ইসলাম'
প্রেরন করেছেন বিজয় করার জন্য মনগড়া আমলের তাগুতের ইবাদতে
র ধর্ম থেকে।
মহান আল্লাহতা'আলা বলেনঃ"তিনি
সেই সত্তা,যিনি প্রেরন করেছেন তাঁর
রাসুলকে কুরআনের পথ নির্দেশ ও সত্য ধর্ম ইসলামসহ অন্য সমস্ত (মা
নব রচিত মনগড়া আমলের) ধর্মের
উপর ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য।
যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।"
(সুরা তাওবা/৯ঃ৩৩,সুরা ফাতাহ/
৪৮ঃ২৮ ও সুরা সাফফ/৬১ঃ৯ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি উহাদেরকে এমন কোন কিতাব দিয়াছি যাহার প্রমানের উপর ইহারা নির্ভর করে?
বস্তুত জালিমরা একে অপরকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়া থাকে।"
(সুরা ফাতির/৩৫ঃ৪০ আয়াত)
নিষ্ঠাপূর্ন ইবাদত কেবলমাএ আল্লাহর জন্য।আমরা প্রতি নামাজে সূরা ফাতিহায় এই কথাই স্বীকৃতি দেই; আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার নিকট সাহায্য চাই।"
(সুরা ফাতিহা/১ঃ৪-৫ আয়াত)
ইব্রাহীম(আঃ)বলেনঃ"যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন,তিনিই আমাকে সৎপ থে পরিচালিত করিবেন।এই ঘোষনা সে স্হায়ী বানীরুপে রেখে গেছে তার পরবর্তীদের জন্য যাতে তারা আল্লাহ র দিকে ফিরে আসে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ২৭-২৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসুল কে বলেনঃ"আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের ইবাদত/দাষত্ব করবে ন না।করলে আপনি শাস্তি প্রাপ্তদের শামিল হয়ে পরবেন।আপনি আপনা র নিকট আত্মীয়দেরকে সতর্ক করুন" (সুরা শূরা/২৬ঃ২১৩-২১৪ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"বিধান দেয়ার অধিকার শুধু আল্লাহর ই,তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে,তোমরা শুধুমাএ তাঁর ইবাদত করবে আর কারো ইবাদত করবে না,এটাই সরল সঠিক দীন,কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এটা অবগত নয়।"
(সুরা ইউসুফ/১২ঃ৪০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্যে সম্পূর্ন (পরি পূর্ন) করে দিয়েছি এবংআমার নিয়াম
ত তোমাদের প্রতি পূর্ন করেছি আর
তোমাদের জন্যে ইসলামকে তোমা দের দীন হিসাবে কবুল করে নিয়েছি।
(সুরা মায়েদা/৫ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"হে ঈমানদারগন!তোম রা পরিপূর্নভাবে ইসলামে প্রবেশ কর আর শয়তানের অনুসরন করনা
কেননা শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২০৮ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি আপনাকে প্রতি
ষ্ঠিত করেছি দীনের এক বিশেষ পন্হা র উপর অতএব আপনি এর অনুসরন করুন;এবংমূর্খদের প্রবৃত্তির অনুসরন করবেন না।"
(সুরা জাসিয়া/৪৫ঃ১৮ আয়াত)
তিনি রাসুলকে বলেনঃ"আপনি তার উপর অটল থাকুন যা আপনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে নাযিল করা হয়েছে। নিশ্চয় আপনি রয়েছেন সরল সঠিক পথে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ৪৪ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরনে (কুরআন ও সুন্নাহ) বিমূক হয় আমি তার জন্যে নিয়ো জিত করি এক শয়তান,অতঃপর সেই হয় তাহার সহচর (সঙ্গী)।আর সেই শয়তানেরাই মানুষকে সৎপথে বাধা প্রধান করে যে তারা সৎপথে পরিচালিত হইতেছে।অবশেষে যখন সে আমার নিকট উপস্হিত হইবে তখন সে শয়তানকে বলিবে,হায়! আমার ও তোমাদের মধ্যে যদি পূর্ব ও পশ্চিমের ব্যবধান থাকিত! কত নিকৃষ্ট সহচর সে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩:৩৬-৩৮ আয়াত)
উপর উল্লিখিত আয়াত ও সহীহ হাদীস সমূহে প্রমান করে মহান আল্লাহ তা'আলা দানব,মানব সৃষ্টি করে তাদের জন্য জান্নাত ও জাহান্না ম সৃষ্টি করেন।জান্নাতিদের ও জাহা ন্নামীদের জন্যে মাযহাব/পথ বা আম লও সৃষ্টি করে দিয়েছেন।তিনি কতম হান যিনি তাঁর আওয়াতাধীন রেখে ছেন কাকে জান্নাতের আমল ও জাহা ন্নামের আমল করাবে।দয়াময় আল্লা হ বলেন, তিঁনি যাদেরকে তাঁর ইবাদ ত করাবেন না;তারা ইবলীশ শয়তা নের ইবাদত করবে তাদের আমলগু লি হবে দানব মানব রচিত কিতাবের আমলের অনুরুপ।আর তিনি যাকে তাঁর ইবাদত করাবে তার আমল কুর আন অনুযায়ী হবে।তিনি তাঁর দীন ইসলামকে বিজয় করার জন্যই তাঁর পক্ষ থেকে ইবাদত পদ্ধতি ইসলাম দিয়েছেন।আর ভারত উপমহাদেশে এই ইসলামকে পরাজয় করার জন্য ইংরেজদের দেওয়া মনগড়া ইবাদত পদ্ধতি আমলের কিতাব রচনা করে, তার তাবলীগ,অামল,বয়ান ও ওয়াজ করে,ইংরেজদের রেখে যাওয়া বিধর্মী দের বানোয়াট মনগড়া ধর্ম বিজয় করতেছে ইসলামের নামে;সঠিক ইস লামের কবর দিয়ে।আল্লাহর ইবাদত পদ্ধতির সঠিক জ্ঞান না থাকার কার নে ভারত উপমহাদেশে ইংরেজদের দেওয়া কিয়াস ইজমা মাযহাবের ধর্ম পালনের মাধ্যমে শয়তানের ইবাদত করিতেছে;আল্লাহর ইবাদতের নামে।
তিঁনি কতমহান তাঁর ইবাদ করে, ইসলামকে বিজয় করার জন্য ম'মিন মুত্তাকী ও মুসলিমদের,জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন রাসুল (সঃ) কে অনুসরনের এবং রাসুল (সঃ) মুত্যুর পর শয়তানে র দল ধোকা দিতে না পারে তার জন্য রাসুল (সঃ) একমাএ তাঁর সাহা বীদের অনুসরনের নির্দেশ দিয়েছেন।
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"তোমরা আ মার ও আমার খুলাফায়ে রাশেদীনে র সুন্নাত (তরিকা/মাযহাব) কে আক ড়ে ধর।"
(ইবনে মাজাহ)
তিনি আরো বলেছেনঃ"একমাএ আমি এবং আমার সাহাবীদের যারা অনুসরন করে তারা ছাড়া অন্যরা জাহান্নামী।"
(তিরমিযী)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ"হে মু'মিনগন!তোমরা রুকু কর,সিজদা কর এবং তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত কর ও সৎকর্ম কর,যাহাতে সফলকাম হইতে পার।"
(সুরা হাজ্জ/২২ঃ৭৭ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"ইয়াকীন তথা মৃত্যু উপস্হিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদত কর।"
(সুরা হিজর/১৫ঃ৯৯ আয়াত)

হানাফী মাযহাব : ইয়াহুদী খ্রীষ্টান,শিয়া,পীর,বুজুর্গ, সুফী ও হিন্দু সকল মতবাদ মিলে হল ইসলাম বিরধী হানাফী মাযহাব।


★★★★★★★★★★★★
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইয়াহুদী খ্রীষ্টান,শিয়া,পীর,বুজুর্গ,
সুফী ও হিন্দু সকল মতবাদ মিলে
হল ইসলাম বিরধী হানাফী
মাযহাব।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
******************************
সকল নাবীদের অহী অনুসরন করার
নাম হল ইসলাম।কুরঅান ও সুন্নাহে
পরিপূর্ন করে দিয়েছেন ইসলাম,তারা সঠিক বুঝবে যাদেরকে আল্লাহ বুঝা বেন,অনুসরন তারা করবে যাদেরকে আল্লাহ অনুসরন করাবেন, তারাই একমাএ আল্লাহর ইবাদতকারী ঈমান দার মুসলিম,তাদের জন্যই আল্লাহর জান্নাত নির্ধারিত।আর প্রবৃত্তির,খেয়া ল-খুশীর বা কিয়াস ইজমার অনুসর নকারী শয়তানের ইবাদত কারী অমু সলিম,তাদেরকে শয়তান শোভনীয় করে পরিচালিত করে কিয়াস ইজমার জাহান্নামের মাযহাবে।
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"তিনি সেই সত্তা যিনি প্রেরন করেছে ন তাঁর রাসুলকে কুরআনের মাযহাব বা পথ নির্দেশ ও সত্য ধর্ম ইসলামস হ অন্য সমস্ত(মনগড়া,খেয়াল-খুশীর,
প্রবৃত্তির বা কিয়াস ইজমার) ধর্মের উপর ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য,
যদিও মুশরিকরা উহা অপসন্দ করে।"
(সুরা সাফফাত/৬১ঃ৯ আয়াত,
সুরা ফাতাহ/৪৮ঃ২৮ আয়াত ও সুরা তাওবা/৯ঃ৩৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি মুসলিমদের
জন্য প্রত্যেক বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা
স্বরুপ মাযহাব বা পথ নির্দেশ,দয়া ও
সুসংবাদ সরুপ তোমার প্রতি কুরঅান অবতীর্ন করিলাম।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৮৯ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আকাশে ও পৃথি
বীতে এমন কোন গোপন রহস্য নাই
যাহা সুস্পষ্ট কুরআনে নাই।"
(সুরা নামল/২৭ঃ৭৫ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আমি এ কুরআ নে কোন কিছু বাদ দেইনি লিপিবদ্ধ করতে।"
(সুরা আনআম/৬ঃ৩৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসুল কে প্রবৃত্তি,খেয়াল-খুশীর বা কিয়াস ইজমা থেকে রক্ষা করার জন্য বলে নঃ"তাড়া তাড়ি অহী আয়ত্ব করিবার
জন্য তুমি তোমার জিহবা উহার সঙ্গে সঞ্চালন করিও না।ইহা সংরক্ষ ন ও পাঠ করিবার দায়িত্ব আমারই।
সুতরাং যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরন কর;
অতঃপর ইহার বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই।"
(সুরা কিয়ামা/৭৫ঃ১৬-১৯ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি আপনাকে প্রতি ষ্ঠিত করেছি দ্বীনের (দৈনন্দীন জীবন
ব্যবস্হার) এক বিশেষ পন্হার উপর
অতএব আপনি এর অনুসরন করুন এবং মূর্খদের প্রবৃত্তির (কিয়াস ইজমা র) অনুসরন করবেন না।"
(সুরা জাসিয়া/৪৫ঃ১৮ আয়াত)
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"আমাকে কুরঅা ন এবং তার সাথে অনুরোপ (সুন্নাহ)
দেয়া হয়েছে।"
(আবূ দাউদ)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ"আ জ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদে র জন্য পরিপূর্ন করে দিয়েছি এবং আ
মার নিয়ামত তোমাদের প্রতি পূর্ন করেছি আর তোমাদের জন্য ইসলাম
কে তোমাদের দ্বীন হিসাবে কবুল করে নিয়েছি।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"হে ঈমানদারগন!তোম রা পরিপূর্নভাবে ইসলামে(কুরঅান ও
সুন্নাহে) প্রবেশ কর আর শয়তানের অনুসরন কর না,কেননা শয়তান তো
মাদের প্রকাশ্য দুশমন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২০৮ আয়াত)
তিনি কাফিরদের সম্পর্কে বলেনঃ-
(তারা বলে)"আমরা কতিপয়ের প্রতি বিশ্বাস রাখি এবং কতিপয়কে অবি শ্বাস করি,আর তারা এর মাঝামাঝি
এক পথ উদ্ভাবন করতে চায়।তারাই
প্রকৃত পক্ষে কাফের।"
(সুরা নিসা/৪ঃ১৫০-১৫১ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"তবে কি তোম রা কুরআনের কিছু অংশে বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখান ক র? তোমাদের যারা এরুপ করে তাদের একমাএ প্রতিফল পার্থিব জীবনে হীন
তা এবং কিয়ামতের দিন তারা কঠিন
তম শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে।"
(সুরা বাকারা/২ঃ৮৫ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"যারা কাফির তারা মিথ্যার অনুসরন করে আর ঈমানদারগন সঠিক সরল সত্য পথ (কুরঅান ও সুন্নাহ) অনুসরন করে যা তাদের প্রভুর পক্ষ হতে এসেছে।"
(সুরা মুহাম্মদ/৪৭ঃ২-৩ আয়াত)
তিনি তাঁর রাসুলকে বলেনঃ"আমি এ
কুরঅানকে নাযিল করেছি এক বিধান
রুপে আরবী ভাষায় আপনি যদি তা দের খেয়াল-খুশীর(প্রবৃত্তির বা কিয়াস
ইজমার) অনুসরন করেন আপনার কাছে জ্ঞান (কুরঅান ও সুন্নাহ) আসা র পর তবে আল্লাহর মোকাবেলায় আপনার জন্য কোন সাহায্যকারীও থাকবে না এবং কোন রক্ষাকারীও না।"
(সুরা রাদ/১৩ঃ৩৭ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আমি তোমার
নিকট এই কুরঅান সত্যসহ অবতীর্ন
করিয়াছি সুতরাং আল্লাহর ইবাদত কর তাহার আনুগত্য বিশিদ্ধচিত্ত
হইয়া।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ২ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"বল,আমি তো
আদিষ্ট হইয়াছি আল্লাহর আনুগত্যে
একনিষ্ঠ হইয়া তাঁহার ইবাদত করি তে; আর আমাকে হুকুম করা হয়েছে
যে,সকলের আগে আমি নিজে মুসলি ম (আত্মসর্ম্পনকারী) হই।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ১১-১২ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"কুরঅান আসার
পর তাদের বাসনার অনুসরন করেন
তবে নিশ্চয়ই আপনি যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বেন।"
(সূরা বাকারা/২ঃ১৪৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"যেন রেখ যে,যালিমরা
ভোগ করবে স্হায়ী শাস্তি।"
(সুরা শূরা/৪২ঃ৪৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"তাদের সদৃশ্য হয়োনা যাদের নিকট প্রকাশ্য প্রমান
(কুরঅান ও সুন্নাহ)আসার পরও তারা
বিছিন্ন ও বিরোধ করেছে এবং তাদের
জন্য রয়েছে কঠিন আযাব।"
(সুরা ইমরান/৩ঃ১০৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"যাহারা ঈমান আনে আল্লাহ তাহাদের অলি(অভিভাবক) তিনি তাহাদেরকে অন্ধকার হইতে বাহির করিয়া আলোকে লইয়া যান। আর যাহারা কুফরী করে তাগুত তাহাদের অভিভাবক; ইহারা তাহা দেরকে আলো হইতে অন্ধকারে লইয়া
যায়।উহারাই অগ্নি অধিবাসী; সেখা নে তাহারা স্হায়ী হইবে।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২৫৭ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আল্লাহ কুরআনের মাধ্যমে অনেককে সঠিক পথ প্রদর্শন
করেন আর এর দ্বারা তিনি শুধু ফা সিকদের বিপথগামী করে থাকেন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আর আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করতে ইচ্ছা করে ন এবং যারা প্রবৃত্তির(কিয়াস ইজমা র) পূজারী তারা ইচ্ছা করে যে,তোম রা ঘোর অধঃপতনে পতিত হও।"
(সুরা নিসা/৪ঃ২৭ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"যে কেউ ইসলাম
ছাড়া অন্য কোন দ্বীন অন্বেষন করবে,
কখনও তা তার থেকে কবুল করা হবে
না;আর আখিরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত দের অন্তর্ভূক্ত।"
(সুরা ইমরান/৩ঃ৮৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"কুরঅান আল্লাহর পথ
(মাযহাব,তরিকা)নির্দেশ তিনি উহা
(কুরঅান) দ্বারা যাহাকে ইচ্ছা পথ প্রদ
র্শন করেন।আল্লাহ যাহাকে বিভ্রান্ত করেন তাহার কোন পথ প্রদর্শক নাই।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ২৩ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আল্লাহর পথ বা মাযহাব(কুরঅান ও সুন্নাহ)পরিত্যাগ
কারীগন ব্যতীত আর কাহাকেও বিভ্রা ন্ত করেন না।"
(সুরা কাহফ/১৮ঃ৩৯ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"যে ব্যক্তি দয়াম য় আল্লাহর স্মরনে(কুরঅান ও সুন্নাহ)
বিমূখ হয় আমি তার জন্যে নিয়োজি
ত করি এক শয়তান অতঃপর সেই হয় তার সহচর (সঙ্গী) আর সেই শয় তানেরাই মানুষকে সৎপথে বাধা প্রদান করে অথচ মানুষ মনে করে যে তারা সৎপথের উপরই রয়েছে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ৩৭-৩৮আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"তিনি একদলকে
সৎপথে পরিচালিত করেছেন এবং অ পর দলের জন্যে পথভ্রান্তি নির্ধারিত
হয়ে গেছে।তারা আল্লাহকে ছেড়ে শয়
তানকে অলী (অভিভাবক) হিসাবে গ্রহন করেছে এবং ধারনা করে যে তারা সৎপথে রয়েছে।"
(সুরা আ'রাফ/৭ঃ৩০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"কুরঅানকে করেছি এক
জ্যোতি,যার সাহায্যে আমি আমার
বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শ ন করে থাকি।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ১৫-১৬ আয়াত)
উপর উল্লিখিত আয়াত ও হাদীস সমূ হে প্রমান করে,আল্লাহ কুরঅান ও সুন্নাহে পরিপূর্ন করে দিয়েছেন ইসলা ম, আল্লাাহর ইবাদত করে ঈমানদার মুসলিম হওয়ার জন্য।নাবী রাসুলদে র এ ক্ষমতা দেওয়া হয় নাই কুরঅান
মুখস্ত রাখার ও কিয়াস ইজমা করে কুরঅান বুঝার ও অনুসরন করার।
সকল শক্তি,ক্ষমতা,হেদায়েত ও প্রশং সা একমাএ আল্লাহর;কাফির মুশরীক ,পীর বুজুর্গ,সুফী ও কিয়াস ইজমার ফিকাহর মাযহাবীরা অস্বীকার করে!!
আল্লাহ যাদেরকে তার ইবাদত করান
তাদেরকে একমাএ কুরঅান দিয়ে পরি
চালিত করেন,তারা ঈমানদার মুসলি
ম,একমাএ তাদের জন্যই আল্লাহর জান্নাত নির্ধারন করে রেখেছেন।আর
যারা প্রবৃত্তি,খেয়াল-খুশীর বা কিয়াসে র অনুসরন করে,তারা শয়তানের অনুসরন করে,নিজেদেরকে মা'বুদ দাবী করে আর আল্লাহ তাদের সঙ্গী
নিয়োগ করে দেন শয়তানকে;শয়তা ন শোভনীয় করে পরিচালিত করে কিয়াস ইজমার ফিকাহর জাহান্নামে র মাযহাবে!!!
সম্রাট বাবরের পুএ নাসিরুদ্দীন মুহাম্মাদ হুমায়ুন পিতার মৃত্যুর পর ১৫৩০ সালে মুঘল সিংহাসনে উপবে শন করন।কিন্তু ভাইদের চক্রান্ত আর
উদীয়মান আফগান শক্তির কবলে পড়ে তিনি ১৫৪০ সালে সিংহাসন হারা হন।রাজ্য হারা হুমায়ুন আশ্রয়ে র সন্ধানে বিভিন্ন স্হানে ঘুরাঘুরির পর ১৫৪৪ সালে তিনি পারস্যের সাফাভী সুলতান শাহ্ তামাশপের নিকট আশ্রয় গ্রহন করেন।শী'আ মতাবলম্বী শাহ্ তামাশপ হুমায়ুনকে
আশ্রয় দেন এবং দিল্লীর সিংহাসন পুনরুদ্ধারেরর জন্য সাহায্য করবেন
তিনটি শর্তেঃ ১| হুমায়ুন শী'আ মতবাদ গ্রহন করতে হবে,২| মুঘল সাম্রাজ্যে অর্থাৎ ভারতবর্ষে রাষ্টীয়ভা বে শী'আ মতবাদ প্রচার করতে হবে,
৩| ফারসী ভাষা ও সংস্কৃতি ভারতে
রাষ্টিয়ভাবে চালু করতে হবে।এসব শর্তে রাজী হলেন হুমায়ুন এবংসুদীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ তিনি পারস্যের রাজদ রবারে অবস্হান করে শী'আ মত রপ্ত
করলেন।তারপর শী'আদের সাহায্য
নিয়ে তিনি ১৫৫৫ সালে পুনরায় দিল্লী
অধিকার করে মুঘল সিংহাসন পুনরু দ্ধার করলেন।মুঘল রাজবংশ আবার
ভারতবর্ষের সিংহাসনে বসল কিন্তু সম্পূর্ন শী'আ আবরনে।হুমায়ুনের মা
শী'আ তার স্ত্রী হামিদা বানু শী'আ, প্রধান উপদেষ্টা বৈরাম খাঁও শী'আ।
পারস্যের সৈন্যবাহিনী শী'আ,উলা মা শী'আ,শিল্পী খাজা আবদুস সামা দ ও মীর সৈয়দ আলী শী'আ।স্হপ তি শী'আ এবং প্রচারদলও শী'আ। ফলে চিন্তা চেতনা,প্রশাসন ও সংস্কৃতি
শী'আ পরিপুষ্ট।ভায়া তুর্কীর পরিবর্তে
ফার্সী চালু করা হ'ল সারা ভারতে।
ফলে হুমায়ুন সিংহাসন ফিরে পেলে ন বটে কিন্তু সুন্নী কানুন ছেড়ে শী'আ
মাযহাবে আত্ম নিবেদন করলেন।
ভারতের দ্বীনী প্রতিষ্ঠানগুলিতে হাদী
সের চর্চা থেকে ফারসী কিতাবের তা' লীম তাদরীস চলল জোরে শোরে।
কবি শেখ সাদীর গুলিস্তা ও বুস্তা,কবি
হাফিজের দিওয়ান,কবি ফিরদাউসীর
শাহনামা,গালিবের দিওয়ান,রুমীর মসনভী,ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত প্রভূতির পাঠন পঠন ও শিখন চলল।
পারস্যের সুফী ত্বরীক্বার আবাদ হ'ল।
শী'আদের ইমাম আর সূফীদের ক্ববর গুলি সুরম্য অট্রালিকায় গড়ে উঠল।
ইবাদতের কুরঅানী ভাষা ও শব্দগুলি
ফারসী ভাষা ও শব্দে রুপান্তরিত হ'ল
এবং মজবুতভাবে রপ্ত হ'ল।সলাতের
পরিবর্তে নামায,সিয়ামের পরিবর্তে রোযা,জান্নাতের পরিবর্তে বেহেশত,
জাহান্নামের পরিবর্তে দোযখ,ক্ববর স্হানের পরিবর্তে গোরস্হান ইক্যাদি
শত শত শব্দ সংযোজন হ'ল।ক্ষতি
হ'ল প্রচুর।কারন কুরআনের এবটি হরফ উচ্চারনে ১০ টি সাওয়াব।এক্ষে ত্রে সে সাওয়াব হতে ভারতীয় মুসলি মরা বঞ্চিত হ'ল।
জমিনবুচি,কদমবুচি রেওয়াজ চালু
হ'ল উস্তাদ আর গুরুজনকে ঘিরে মাযারগুলি রাতারাতি ইবাদতগাহে
পরিনত হ'ল।তীর্থস্হানরুপে এগুলি তেও সাজদাহ,মানত,নযর নেওয়াজ
শুরু হ'ল।পারস্যের আমদানী পীর মুরিদী সিলসিলাহ ভারতবর্ষে যেন ধর্মকর্মের একমাএ অবলম্বন রুপে দেখা দিল।মীলাদ,কুলখানী,চল্লিশা,
চেহলাম,ওরশ,ইছালে সাওয়াব সবই
খানদানী কায়দায় ইরান হতে আম দানী হ'ল।মাক্কাহ্-মাদীনার আরবীয়
ইবাদাত সবই ফারসী বন্দেগীতে যেন
নতুন প্রান পেল এ ভারতবর্ষে মুঘলদে র যামানায়।এগুলো সবই ইসলাম বিরধী বিধর্মীদের ধর্ম।অন্ধভক্তের দল বিনা দলীলে এগুলিই ধর্ম বলে খানকাহ্ দরগাহ ও দরবার গুলজার
করে ফেলল।শী'আরা যেমন বিনা দলীলে আহলে বাইতের নামে নানা
অজানা আজগুবি রসম রেওয়াজ চালু করে সঠিক ইসলামের কবর দিয়েছে!!!
ভারত উপমহাদেশ ইংরেজরা দখল
করে,মুসলিমদের ওপর শোষন,নির্যা তন দুনীতির হারও দিন দিন বৃদ্ধি
পেতে থাকে।সুকৌশলে এদেশের মাদ্রাসা ও মসজিদ সমূহের বিরাট
ওয়াকফ এস্টেট সমূহ রাষ্টায়ক্ত্ব করি য়া উহার আয়ে স্বাধীনভাবে পরিচালি ত অবৈর্তনিক মাদ্রাসা সমূহের বিলো প সাধনপূর্বক ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি অপমৃত্যু ঘটানোর প্রায়াস
চালায়।শুধু তাহাই নয় বরং রাষ্টায়ত্ত্ব
ভূসম্পত্তি সমূহ হিন্দু জমিদারদিগকে
চিরস্হায়ী বন্দোবস্ত দিয়া তাদের সহা
য়তায় এদেশে বৃটিশ শাসন পাকাপো ক্ত করার অপকৌশল গ্রহন করা হয়।
প্রতিবাদী মাওলানা ইমাম বখশের সামনে তার দুই পুএকে যন্ত্রনা ও নিষ্ঠুরতার সঙ্গে হত্যা করার পর
সর্বশেষে মাওলানা ইমাম বখশকে
হাত পা বাধা অবস্হায় বন্দুকের
দিকে তাকিয়ে থাকতে বলা হয়।বন্দু কের গুলি তার মুখের দিকে ছোড়া হলো,মুখমন্ডল চুর্ন বিচূর্ন হয়ে গেল।
রক্তাপুত দেহ নির্বাপিত হল বিপ্লবী মাওলানার জীবন।আলেম নিধন শুরু হলো।ইতিহাসবিদ টমসনের মত এভাবে তিন বছর পর্যন্ত আলেম
নিধনে ইংরেজরা মেতে উঠে।চট্রগ্রাম
থেকে খায়বার পর্যন্ত গ্রান্ড ট্রাংক রো ডের দুপাশের একটি বৃক্ষ শাখাও
এমন ছিল না যাতে ঝুলছিল না কোন শহীদের লাশ,আন্দামান মাল্টা ও সাইপ্রাস সহ বিভিন্ন দ্বীপে আলেমদেরকে নির্বাসিত করে আলেম শুন্য করে।এক সময়ের ঘরে ঘরে আলেম থাকা সত্বেও পরে জানাযার নামায পড়ানোর মত কোন আলেম ছিল না এ এক কলংক ময় ইতিহাস। আলেম নিধনের প্রতিবাদে যখন বলা হয়েছিল ছোট ছোট কুরআনের হাফেজরা বড় হয়ে দ্বীন ইসলাম প্রচার করবে,তখন তাদের মুখ কিভাবে বন্ধ করবে? ইংরেজরা বলে ছিল এদেরকে দিয়েই আমাদের ধর্ম প্রচার করব।দুঃখ জনক হলেও সত্য যে,তখন থেকে আজও ইসলামের নামে কুরঅান ও সুন্নাহ অথাৎ ইসলাম বিরধী শিক্ষায় আলেম তৈয়ারী হইতেছে।
ইংরেজরা ও তাদের নিযুক্ত হিন্দু জমিদার কঠোর নির্যাতনের মাধ্যমে ভারত উপমহাদেশের মুসলিমদের ঈমান আকিদা ধর্মবিশ্বাস প্রভুতি সর্ব
স্বন্ত করার অসম নীতি গ্রহন করে, ফলে মুসলিমরা ধর্মীয়,সামাজিক,
রাজনৈতিক,অর্থনৈতিকসহ সকল ক্ষেএে পিছিয়ে পরে।
বহু মসজিদ ও সমস্ত মাদ্রাসা ধ্বংস
করে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জব্দ করে,যেখানে শুধু দিল্লীতেই এক হাজা
র মাদ্রাসা ছিল সেখানে ১৭৬৫ সালে র পর ভারত উপমহাদেশে একটিও
মাদ্রাসা থাকল না।
১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজরা কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তখন তৎকালীন ইংরেজ গর্ভনর ড.ম্যাক লিকে মাদ্রাসার সিলেবাস তৈরী করার দায়িত্ব দেয়।এই সুযোগে কুরঅান ও সহীহ সুন্নাহর (দ্বীন ইস লামের) পরিবর্তে বিদাত,শিরক, হককে বাতিল, বাতিলকে হক দ্বীন ইসলাম বলে চালু করে দেয়,যার কোন দলিল প্রমান নাই।বর্তমানে পীর বুজুর্গ,আলেম ও হুজুরগন এর ধারক ও বাহক।
১৮৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হয় এবং
পাকিস্তান রাষ্টের জন্ম হয়।স্বাধীনতা র পর কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসার যাবতীয় রেকর্ড,লাইব্রেরীর ২৯ হাজা র বই ও আসবাবপএাদি বাংলাদেশে র রাজধানী ঢাকায় স্হানন্তরিত হইয়া বকশী বাজারে বাংলাদেশ সরকার নির্মিত এিতল প্রসাদে স্হায়ী ভাবে স্হাপিত হয়।মাদ্রাসার প্রথম ২৬ জন প্রিন্সিপাল ছিল খৃষ্টান।প্রিন্সি
পালের নাম ঢাকা আলিয়া মাদ্রসার প্রন্সিপালের রুমের দেয়ালে টানানো এবং মাওলানা মমতাজ উদ্দীন আহ মদ লিখিত ইসলামি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত মাদ্রাসাই আলিয়ার ইতিয়া স বইয়ে লিখিত আছে।
আলিয়া মাদ্রাসার খৃষ্টান প্রিন্সিপা লেরা যখন নিশ্চিত হয়েছে যে,সিলে
বাস তাদের ইচ্ছামত তৈরী হয়েছে, ফিকাহ শাস্ত্রে ভূল ঢুকানোর পর কুরঅান হাদীস থেকে সরাসরি ইসলাম জানার পরিবর্তে ফিকাহ শাস্ত্রে হতে ইসলাম জানার ব্যবস্হা হয়েছে,সিলেবাসের বইয়ে প্রয়োজনী য় মৌলিক ভূল ঢুকানো হয়েছে এবং সহজে ঐ তথ্য কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না তখন প্রিন্সিপালের দায়িত্ব মুসলমানদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে,আলিয়া মাদ্রাসায় যে দ্বীন ইসলামের নামে কুরঅান ও সুন্নাহ বিরধী শিক্ষায় শিক্ষিত আলেমগন অধিকাংশ কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক।
(চলবে)

হিদায়া গ্রন্থ : মাযহাবীরা তাদের ইমাম, পীর-দরবেশদেরকে প্রভু বানিয়ে নিয়েছে



★ মাযহাবীরা তাদের ইমাম, পীর-দরবেশদেরকে প্রভু বানিয়ে নিয়েছে★


===================================


যেসব মাযহাবী 'আলিমগণ ফরয তৈরী করে এবং ফরয রহিত করে এবং হালালকে হারাম আর হারামকে হালাল ফাতওয়া দিয়েছে তারা নিজেদেরকে প্রভু সাব্যস্ত করেছে (নাউযুবিল্লাহ)। আর যারা এসবের অনুসরণ করছে তারা কি অবস্থায় আছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। আশা করছি পাঠকগণই তা উপলব্ধি করতে পারবেন।


কারন ফরযের হুকুম, রহিতকরণ এবং হালাল হারামের বিধান জারী করা একমাত্র আল্লাহর ক্ষমতা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে মাযহাবীরা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল ফাতওয়া জারী করেছে। আমি আমার মনগড়া কথা বলছিনা। মাযহাবী কিতাবাদিতেই এইসব ফাতওয়া বিদ্যমান রয়েছে। নিন্মে তার কিছু নমুনা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।




→ বিঃদ্রঃ- মাযহাবী ভাইয়েরা! আমাদের গালাগালি করার আগে এসব ফাতওয়ার ব্যাপারে সঠিক প্রমাণ পেশ করুন।




১)- হিদায়া গ্রন্থে বাবুল ওয়াতীতে আছে: "যে সকল নারীর সাথে বিবাহ চীর হারাম, তাদের যারা বিবাহ করে মিলন করবে, ইমাম আবু হানিফার মতে তাদের উপর হদ জারী করা যাবেনা। (হিদায়া দেওবন্দ ইউ.পি ইন্ডিয়া ১৪০১ হিজরীতে মুদ্রিত ও আশরাফী হিন্দ ছাপা, ৫১৬ পৃষ্ঠা)।


→২)- মাকতাবে থানভী দেওবন্দ সাহারানপুর ইউ.পি ইন্ডিয়া ১৪০০হিঃ প্রেসে মুদ্রিত হিদায়াতে আছে :


"আবু হানিফা রহঃ বলেন, সকল প্রকার মাদকদ্রব্য হারাম নয়।" (হিদায়া কিতাবুল আশরিবা, ৪র্থ খন্ড, ৪৯৬ পৃষ্ঠা)।


→৩)- আবু হানিফা রহঃ বলেন, গম,যব, মধু ভুট্টা দ্বারা তৈরী মদ হালাল যদিও তাতে মাদকতা থাকে এবং এ মদ পান করলে মদ্যপানের শাস্তি দেয়া যাবেনা। (হিদায়া ৪র্থ খন্ড, ৪৯৬পৃষ্ঠা)। মদ হালাল সম্পর্কে হিদায়ার আরও ফাতওয়া আছে। দেখুন- ৪র্থ খন্ড, ৪৯৭.৪৯৯ পৃষ্ঠা।


→৪)- খুন সম্পর্কে হিদায়ার ফাতওয়া : কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশু অথবা কোন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিকে সমুদ্রে ডুবিয়ে মেরে ফেলে তাহলে ইমাম আবু হানিফার রহঃ মতে হত্যাকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবেনা। (হিদায়া ইউ.পি-৪র্থ খন্ড, ৫৬৬ পৃষ্ঠা)।


→৫)- চুরি, ডাকাতি, মাস্তানির কোন বিচার নেই অর্থাৎ এগুলো বৈধ মানে হালাল। (হিদায়া ২য় খন্ড, ৫৩৭. ৫৪০. ৫৪৬. ৫৫৭. ৫৫৮ পৃষ্ঠা)।


→৬)- আরবী ভাষা জানা স্বত্ত্বেও আরবী ব্যতীত অন্য যে কোন ভাষায় সালাতের তাকবীর ও ক্বিরায়াত পড়া যাবে। (হিদায়া আশরাফী হিন্দ ছাপা, ১ম খন্ড, ১০১ ও ১০২ পৃষ্ঠা)।


→৭)- ফারসি ভাষায় সালাতে ক্বিরায়াত পড়া যাবে। (নূরুল আনওয়ার- ১১ ও ১২ পৃষ্ঠা)।


→৮)- যে পশু খাওয়া হারাম তার পেশাব কাপড়ের চারভাগের একভাগে লাগলে এ কাপড়ে ইমাম আবু হানিফার রহঃ মতে সালাত পড়া জায়েয। (হিদায়া আশরাফী হিন্দ ছাপা, ৭৫ পৃষ্ঠা)।


→৯)- ইমাম আবু হানিফার রহঃ মতে মোজার উপর মাসেহ করা নাজায়েয। (হিদায়া আশরাফী হিন্দ ছাপা, ১ম খন্ড, ৬১ পৃষ্ঠা)।




সম্মানিত পাঠক! লক্ষ্য করুন। আদৌ কি এসব ফাতওয়া ইমাম আবু হানিফা রহঃ দিয়েছেন? নাকি ইমাম আবু হানিফা রহঃ এর নামে বা চার মাযহাবের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে?? হিদায়ার লেখকসহ অন্যান্য মাযহাবী কিতাবের লেখকগণ আল্লাহ্‌ এবং তার রাসূল সাঃ যা হারাম করেছেন তা হালাল আর যা হালাল করেছেন তা হারাম করার ধৃষ্টতা দেখায়নি? তাহলে কি করে প্রচলিত মাযহাব মানা ওয়াজিব বা ফরয হতে পারে? আর হিদায়া ও অন্যান্য ফিকহের লেখকগণ আল্লাহ্‌ ও তার রাসূল সাঃ এর বিপরীত ফাতওয়া দিয়ে আল্লাহ্‌ এবং রাসূল সাঃ এর চাইতেও কি বড়ত্বের পরিচয় দেননি? এটা কি নিজেদেরকে প্রভু সাব্যস্ত করার অপকৌশল নয়?




তাদেরকে অর্থাৎ যারা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল ফাতওয়া দেয় এবং যারা মান্য করে তাদেরকে আল্লাহ্‌ কি বলে আখ্যায়িত করেছেন? দেখুন-


"তারা আল্লাহ্‌ ব্যতীত তাদের আলিম এবং দরবেশদেরকে তাদের প্রভুরূপে গ্রহন করেছে। (তাওবাহ:৩১)




→উক্ত আয়াতের তাফসীর হাদীসে নাব্বীতেই রয়েছে। "আদী ইবনে হাতিম রাযীঃ হতে বর্ণিত। তিনি রাসূল সাঃ কে উক্ত আয়াত পড়তে শুনলেন। " তারা আল্লাহ্‌ ব্যতীত তাদের আলিম এবং দরবেশদেরকে তাদের প্রভুরূপে গ্রহন করেছে......আদী রাযীঃ বলেন, তখন আমি বললাম: আমরা তো তাদের পূজা বা 'ইবাদাত' করিনা। তিনি বললেন, আচ্ছা তোমরা কি এরূপ করো না যে তারা আল্লাহর হালাল ঘোষিত বিষয়গুলোকে হারাম বলে দেয় আর তোমরা তা হারাম বলে মেনে লও। পক্ষান্তরে আল্লাহ্‌ কর্তৃক হারাম ঘোষিত বিষয়গুলোকে তারা তারা হালাল বলে দেয় আর তোমরা তা হালাল বলে মেনে লও। আমি বললাম: হ্যা। তিনি বললেন, এটাই তাদের ইবাদাত'। এভাবেই তারা তাদেরকে প্রভুরূপে গ্রহন করেছে। (মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজী, কুতুবখানা রশিদিয়া, দিল্লী, ২য় খন্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা, কিতাবুত তাওহীদ, আরবী উর্দু ১৪৬ পৃষ্ঠা; তাকভিয়াতুল ঈমান ১৬০ পৃষ্ঠা)




উপরোক্ত আয়াত ও হাদীস থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহর নাযিলকৃত ওহী ব্যতীত যারা হালালকে হারাম আর হারামকে হালাল বলে প্রচার করবে এবং তা যারা মানবে তারা প্রভুর আসনের দাবীদার নয় কি? নাউযুবিল্লাহ!!!! এতদ্বব্যতীত যারা নিজের মতো বা ইচ্ছা অনুযায়ী আমল করে সেও নিজেকে প্রভু সাব্যস্ত করেছে এবং সে পথভ্রষ্ট গোমরাহ। যেমন আল্লাহ্‌ বলেন, "আর সে ব্যক্তি অপেক্ষা অধিকতর গোমরাহ কে হবে, যে আল্লাহর পক্ষ হতে কোন দলীল ব্যতীত স্বীয় নফসকে অনুসরণ করে চলে।"(সূরা ক্বাসাস:৫০)


আল্লাহ্‌ আরও বলেন,"আপনি কি সে ব্যক্তির অবস্থা দেখেছেন যে ব্যক্তি নিজের খাহেশকে বা নফসকে আপন মা'বুদ সাব্যস্ত করেছে। আর জ্ঞান বুদ্ধি থাকা সত্ত্বেও আল্লাহ্‌ তা'আলা তাকে পথভ্রষ্ট করে দিয়েছেন এবং কর্ণ ও অন্তরের উপর মোহর মেরে দিয়েছেন। আর তার চক্ষুর উপর ফেলে দিয়েছেন পর্দা। সুতারাং আল্লাহ্‌ গোমরাহ করার পর কে এরূপ ব্যক্তিকে হিদায়াত করবে। (সূরা জাসিয়াহ:২৩)। অতএব নিজের ইচ্ছানুযায়ী শরীয়ত তৈরী করে অথবা ইচ্ছানুযায়ী আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল সাঃ ব্যতীত অন্য কোন ইমাম, পীর দরবেশ, ওলীদের কথায় আমল করে নাযাত পাওয়া যাবেনা। মহান আল্লাহ্‌ বলেন, "তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তোমরা তার অনুসরণ করো এবং আল্লাহ্‌ ব্যতীত ওলীদের (সুফি, পীর, দরবেশ ইত্যাদি) অনুসরণ করো না। আর তোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহন করে থাক। (সূরা আ'রাফ : ৩)।




কুর'আনের এ সুস্পষ্ট দলীল থাকার পরও মানুষ বিভিন্ন আলেম, ইমাম, পীর, দরবেশ ও ওলীদের কুর'আন ও হাদীস বিরোধী কথা মেনে চলে, কারন শয়তান যখন মানুষকে পথভ্রষ্ট করতে নানা রকম কৌশল করে ব্যর্থ হয় তখন শয়তান মানুষকে তার নফসের মাধ্যমে গোমরাহ করে ধংস করে। হাদীসে এসেছে - "আবু বকর সিদ্দীক রাযীঃ হতে বর্ণিত। রাসূল সাঃ বলেন, তোমাদের উপর একান্ত কর্তব্য হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এবং ইস্তিগফার পড়া। অতএব তোমরা তা বেশি বেশি পড়ো। কেননা শয়তান বলে, আমি মানুষকে গুনাহের মাধ্যমে ধংস করি। আর তারা আমাকে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এবং ইস্তিগফারের মাধ্যমে ধংস করে দেয়।


যখন আমি এ অবস্থা দেখলাম অর্থাৎ আমার সকল চক্রান্তই বিফল, তখন তাদেরকে আমি নফসের তাঁবেদারির মাধ্যমে ধ্বংস করি। আর তারা নিজেদেরকে হিদায়াত প্রাপ্ত মনে করে। (জামে সাগীর; ইবনু কাসীর, ১ম খন্ড, ৫৪০ পৃষ্ঠা)।




মন চেয়েছে ইমাম, আলেম, পীর, দরবেশ, ওলীর কথামত চলতে। আর শুরু হয়ে গেছে তাদের কথামত চলাফেরা, আমল করা। কোনদিন দলীল খোঁজে মিলিয়ে দেখার তাগিদও অনুভব হয়নি। অথচ আল্লাহ্‌ তাদের কথামত চলতে নিষেধ করেছেন (প্রমাণবিহীন)। সেদিকে কোন খেয়ালই নেই। এটাই হলো নিজেকে প্রভু সাব্যস্ত করা। এ সমস্ত লোকেদের আমল কি কোন কাজে আসবে???




আল্লাহ্‌ আমাদের সরল সঠিক পথে চলার তাওফ্বীক দান করুন। আমীন।

এদেশের মানুষ ইংরেজদের রেখে যাওয়া মনগড়া ধর্ম বিভিন্ন নামে পালন করে : তোমাদের বাপ দাদারা যাহা স্হির করে নিয়েছ এ ব্যাপারে আল্লাহ কোন প্রমান নাযিল করেননি

★★★★★★★★★★★★
******************************
*****************************
এদেশের মানুষ ইংরেজদের রেখে
যাওয়া মনগড়া ধর্ম বিভিন্ন নামে
পালন করে আর বলে বাপ দাদার
ধর্ম!আরো বলে বড় বড় আলেমরা
কি কম বোঝে !
*******************************
*****************************
মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ-
তোমরা মুশরিক হয়ে যেওনা।যারা নিজেদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং দলে দলে ভাগ হয়েছে।প্রত্যেকের কাছে যা আছে তাই নিয়ে উল্লাসিত।"
(সুরা রুম /৩০ঃ৩১-৩২ আয়াত)
এই আয়াতে দুই শ্রেনীর মানুষকে মুশরিক বলে আখ্যয়িত করেছেন
১| যারা দ্বীনকে ভাগ ভাগ করে (ফতেওয়া দিয়ে)
২| যারা বিভিন্ন দলে দলে ভাগ হয় (ফতেওয়া মেনে)
মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ"আর যখন তাদের বলা হয়,"তোমরা এস আল্লাহ যা নাযিল করেছেন সেদিকে এবং রাসুলের দিকে,"তখন তারা বলে," আমাদের জন্য তাই যথেষ্ট যার উপর আমরা আমাদের বাপ দাদাদে র পেয়েছি।"তবে কি যদিও তাদের বাপদাদারা কোন জ্ঞানই না রাখে এবং হিদায়াত প্রাপ্ত না হয় তবুও?"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ১০৪ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তোমরা ও তোমাদের বাপ দাদারা যাহা স্হির করে নিয়েছ এ ব্যাপারে আল্লাহ কোন প্রমান নাযিল করেননি।আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার অধিকার নেই।বিধান দেয়ার অধিকার শুধু আল্লাহর।"
(সুরা ইউসুফ/১২ঃ৪০ আয়াত)
তিনি তাঁর রাসুলকে বলেনঃ"যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তাহারা তোমাকে আল্লাহর পথ হইতে বিচ্যুত করিবে। তাহারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে; আর তাহারা শুধু অনুমানের ভিত্তিক কথা বলে।"
(সুরা আনআম/৬ঃ২১৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আপনি তাদের মধ্যে ফয়সালা করুন আল্লাহ তা'আ লা যা নাযিল করেছেন তদঅনুযায়ী এবং তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরন করবেন না।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ৫৯ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"এদের কি এমন কতক গুলো ইলাহ আছে,যারা তাদের জন্য বিধান দিয়েছে এমন দ্বিনের যার অনু মতি আল্লাহ এদের দেননি? কিয়াম তের ঘোষনা না থাকলে তাদের তো ফয়সালা হয়েই যেত নিশ্চই যালিম দেরজন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি।"
(সুরা শুরা /৪২ঃ২১ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ"যাহা রা তোমাদিগের দ্বীনের অনুসরন করে তাহাদেরকে ব্যতীত আর কাহা কেও বিশ্বাস করিও না।আল্লাহর নির্দেশিত পথই একমাএ পথ।"
(সুরা ইমরান/৩ঃ৭৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছ,আমার শক্র ও তোমাদে র শক্রকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না।তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্বের আচরন কর,অথচ তোমাদের নিকট যে সত্য এসেছে তা তারা অস্বীকার করে।"
(সুরা মুমতাহিনা/৬০ঃ১ আয়াত)
তিনি ইহুদী খ্রীষ্টান ও মুশরিকদের সম্পর্কে বলেনঃ"তারা আল্লাহ ব্যতীত তাদের আলেম এবং দরবেশ (পীর)
দেরকে তাদের প্রভুরুপে গ্রহনকরেছে।"
(সুরা তাওবাহ/৯ঃ৩১ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"ইহুদী এবং মুশরিকরা কখনো তোমাদের বন্ধু হতে পারে না।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ৫১ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"মুমিনগন যেন মু'মিনগন ব্যতীত কাফিরদের বন্ধুরু পে গ্রহন না করে।যে কেহ এইরুপ করিবে তাহার সঙ্গে আল্লাহর কোন সম্পর্ক থাকিবে না।"
(সুরা ইমরান/৩ঃ২৮ আয়াত)
এদেশের ইহুদী খ্রীষ্টানদের জ্ঞানে জ্ঞ্যানী পীর,অলি,আওলি ও আলেম দের নিকট আমার প্রশ্ন তোমরাকি কুরঅান বুঝ না, পড় না?
যেখানে মহান আল্লাহ নিষেধ করেছে তাদেরকে বিশ্বাস করতে,সেখানে তো মরা তাদের মিথ্যা ও বতিল জ্ঞ্যানে জ্ঞ্যানী হয়ে অলি,আওলিয়া,বড় বড় আলেম হয়ে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসায় এবং ওয়াজ, তাবলীগ কর বিধর্মীদের মনগড়া ধর্মের।
ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার প্রথম ২৬ জন প্রিন্সিপাল ছিল খৃষ্টান।১৮৫০ থেকে ১৯৩৭ খৃঃ পর্যন্ত তারা ঐ পদে ছিল।অথাৎ প্রথম ৭৭ বছর ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ছিল খৃষ্টান।ঐ প্রিন্সিপালদের নাম হলোঃ-
১| ড.এ.স্প্রেংগার ২| স্যার উইলিয়া ম নাসসান লীজ ৩| মিস্টার জে.স্ট্যা কলিন ৪| মিস্টার হেনরী ফার্ডিন্যান্ড ৫| মিস্টার এ.ই.গ্যাফ ৬| ড.এ.এফ. আর হর্নেল ৭| মিস্টার এইচ.প্রথেরো ৮| ড.এ. এফ.আর হর্নেল ৯| মিস্টার. এফ.জে.রৌ ১০| ড.এ.এফ.আর হর্নেল ১১| মিস্টার এফ.জে.রৌ ১২| ড.এ.এফ. আর হর্নেল
১৩| মিস্টার এফ.জে.রৌ ১৪| মিস্টার এফ.সি.হিল ১৫| স্যার আর্ল স্টেইন ১৬| মিস্টার এইচ.এ.স্টার্ক ১৭|লে.কর্নে ল জি.এম.এ.রেংকিং ১৮| মিস্টার এইচ.এ.স্টার্ক ১৯| স্যার এডওয়ার্ড ড্যানিস রস ২০| এইচ.ই.স্টেপলটন ২১| স্যার এডওয়ার্ড ড্যানিসন রস ২২| মিস্টার চ্যাপম্যান ২৩| স্যার এডওয়ার্ড ড্যানিসন রস ২৪| মিস্টার আলেকজান্ডার হেমিলটন হালী ২৫| মিস্টার এম.জে.বটমলী ২৬| মিনম স্টার আলেকজান্পার হেমিলটন হালী।
খৃষ্টান প্রিন্সিপালেরা যখন নিশ্চিত হয়েছে যে,সিলেবাস তাদের ইচ্ছামত তৈরী হয়েছে,সিলেবাসের বইয়ে প্রয়োজনীয় মৌলিক ভূল ঢুকানো হয়েছে এবং সহজে ঐ তথ্য কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না তখন প্রিন্সিপালের দায়িত্ব মুসলমানদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
তারা পবিএতা ও অজু হইতে আরম্ভ
করে,ঈমান,আমল, অথাৎ দৈনন্দীন জীবন ব্যবস্হা সম্পূর্ন পরিবর্তন করে,পীর,অলি,আওলিয়া ও বড় বড় আলেম তৈরী করে গিয়াছেন তাদের
বানোয়াট মনগড়া ধর্ম বিজয় করার জন্য। তারা সফল হয়েছে,এখনও তাদের ধর্ম ইসলাম মনে করে পালন করিতেছে বিভিন্ন নামে।
মহান আল্লাহ তাআলা ইসলাম প্রেরন করেছেন বিজয় করার জন্য; তা হলে পূথিবীর শাসন ভার আল্লাহ দিবেন মমিনদের হাতে,ওয়াদা আল্লাহর।

Sunday, 15 November 2015

ছয় উসুলের মত এত ভাল ঘুমের ঔষধ আর কেউ বানাতে পারেনি- পুরো জাতিকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে প্রায় শতবর্ষ-Rowshon Kabir



Rowshon Kabir

আমার পরিচিত এক ভাই যথার্থই বলিলেন-
"ছয় উসুলের মত এত ভাল ঘুমের ঔষধ আর কেউ বানাতে পারেনি- পুরো জাতিকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে প্রায় শতবর্ষ!"
-------------------------------------------------------------------------
comments-
 
Muhammad Khalid এমন এক ঘুম যে তার বউ চুরি হইলেও টের পাবে না!!! একঘুমে পুলসিরতে ঐ পাড়ে!
Like · Reply · 1 · 7 hrs
রায়পুরা নরসিংদী
Muhammad Khalid
Muhammad Khalid দিনের খেদমত করতে হবে নবীয়ালা কাম করতে হবে দিনের ফিকির করতে হবে । দ্বীনের জন্য ঘর ছাড়তে হবে মাল ব্যয় করে চিল্লা দিতে হবে এগুলা সবাই কি বুঝে?
Like · Reply · 1 · 7 hrs
মোল্লা জসিম উদ্দিন
মোল্লা জসিম উদ্দিন ঠিক। এখনো শতবর্ষ হয়ে নি।
Like · Reply · 2 · 7 hrs
Emranul Haque Emran
Emranul Haque Emran ভাই আপনি কোথাও ভুল করছেন। কারন আপনাদের মতো ফেবুতে চেচিয়ে দেখাতে হবে কার দিলে দ্বীন হেফাজত করার স্পিহা আছে। এটা মনে রাখবেন সবাই চেচায় না কেউ কেউ চুপিসারে প্লান তৈরী করে।
Like · Reply · 2 · 7 hrs
Muhammad Khalid
Muhammad Khalid কেউ চেচাবে কেউ প্লান করে কেউ ৬উসুলে প্লান করে ........
Like · Reply · 1 · 7 hrs
Siratul Mustakim
Siratul Mustakim ঘুমাইয়া থাক আর স্বপ্ন দেখেতে থাক।---- শেষ পর্যন্ত জাহান্নামের স্বপ্ন(আল্লাহ’ই ভাল জানেন)....একদম সঠিখ কথা।
Like · Reply · 4 · 6 hrs
MD Umair
MD Umair ইলিয়াসী তাবলীগ বনাম রাসূলের তাবলীগ : . (১) তারা নিজেরা কুরআন বুঝে না অন্যদেরকেও বুঝতে দেয় না। কিন্তু রাসূল (ছাঃ) নিজে কুরআন শিখিয়েছেন এবং তার প্রচারকও ছিলেন। . (২) তাদের দাওয়াতী নিয়ম স্বপ্নে প্রাপ্ত। (মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১ ।) রাসূলের দাওয়াতী নিয়ম স্বয়ং আল্লাহ প্রদত্ত (মায়েদা ৬৭) । . (৩) তাদের দাওয়াতের মধ্যে সপ্তাহে ১ দিন, মাসে ৩ দিন, বছরে ১ চিল্লা, কমপক্ষে জীবনে ৩ চিল্লা লাগিয়ে দ্বীনি কাজ শিখতে হবে। (মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১ ।) পক্ষান্তরে রাসূলের দাওয়াতী কাজ এগুলোর কোন অস্তিত্ব নেই। . (৪) তাদের দাওয়াতের মধ্যে ইসলামের একটি অপরিহার্য বিধান ও আল্লাহর প্রিয় জিহাদ নেই। কিন্তু রাসূলের দাওয়াতে জিহাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। . (৫) তাদের দাওয়াতে কাফের মুশরিকদের কোন বাধা নেই। আপনি ধরম নিরপেক্ষ হোন,আওমীলীগ হোন,তাগুতের অনুসারী হোন,পীরের মুরিদ হোন,বিদাতী হোন তাতে তাদের কোন সমস্যা নাই।শুধু আপনি চিল্লা লাগান। . রাসূল (ছাঃ) যখন দাওয়াত দিতেন তখন কাফের মুশরিক বাধা দিত।উনি আগে মানুষের কাছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বা তাওহীদের দাওয়াত দিতেন। . (৬) তাদের দাওয়াতী কাজ শেখার মূল উৎস হল ‘ফাযায়েলে আমাল’। কুরআনের চেয়েও তারা ফাযায়িলে আমাল-এর গুরুত্ব বেশী দেয়। অথচ রাসূলের দাওয়াত শেখার মূল উৎস হচ্ছে কুরআন ও ছহীহ হাদীছ। আর কুরআনের মর্যাদা হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। . (৭) তারা রাষ্ট্রপ্রধান বা ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে,ত্বাগুতের বিরুদ্ধে,মানবরচিত বিধানের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে না।তারা এমন কিছু বলেনা যাতে কুফফাররা অখুশি হই,এইজন্য তাদের ইস্তেমা করতে দেয়া হই,তাদের উপর কোন মামলা-হামলা হইনা। . রাসূল তৎকালীন রাষ্টপ্রধান ও ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, শিরক ও ইসলাম বিরোধী কাজে বাধা দিয়েছেন।নবীজি যখন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর দাওয়াত দেন তখনকার আবু জাহেল,আবু লাহাবরা মারতে উঠেছিল। . (৮) তারা কোন দাওয়াতী কাজ করার সময় কুরআন হাদীছের দলীল পেশ করে না, নিজেদের মনগড়া কথা বলে। রাসূল নিজে কোন কিছু বলার বা দাওয়াত দেবার আগে দলীল পেশ করতেন। . (৯) তারা কোন মতেই কারো সাথে যুদ্ধ করতে চায় না। রাসূল যুদ্ধ করতে গিয়ে নিজের দাঁতকে শহীদ করেছেন। . (১০) তারা শুধু দাওয়াত কিভাবে দিবে তা শেখায় যদিও তা ইসলামী পদ্ধতিতে নয়; অন্য কোন কিছু তারা শিখায় না। . রাসূল (সা)নামাজ,রোজা,হ্বজ্জ,যাকাত, কুফুরী, নিফাক,শিরক,বিদাত,ঈমান,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,ঈমান ভংগের কারন,তাকফীর,তাকদ্বীর,ত্বাগুতের সাথে কুফুরি,জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ,ক্বিতাল ফী সাবিলিল্লাহ সবকিছু শিখিয়েছেন।
Like · Reply · 3 · 3 hrs
MD Umair
MD Umair ১১) ইলিয়াসী তাবলীগ বুযুর্গদের সন্তুষ্টির জন্য করা হয়। (ফাযায়েলে আমাল, ভূমিকা, ১ম পৃষ্ঠা ।) রাসূলের তাবলীগ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য (আন‘আম ১৬; বাইয়েনা ৫) । . (১২) ইলিয়াসী তাবলীগের অলিরা গায়েব জানেন। (যাকারিয়া সাহারানপুরী, অনুবাদ : মোহাম্মাদ সাখাওাত উল্লাহ, ফাযায়েলে ছাদাকাত, (তাবলিগী কুতুবখানা ১৪২৬ হিজরী) ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা : ২৭ ।) অথচ রাসূল (ছাঃ) গায়েব জানতেন না (আন‘আম ৫০; ‘আরাফ ১৮৮) । . (১৩) ইলিয়াস ছাহেবের আক্বীদায় রাসূল (ছাঃ) জীবিত। (ফাযায়েলে হাজ্জ, পৃঃ ১৩০-১৩১ ।) কিন্তু নবী (ছাঃ) ইন্তেকাল করেছেন (যুমার ৩০) । . (১৪) বুযুর্গরা জান্নাত-জাহান্নাম দুনিয়াতে দেখেন। (শায়খুল হাদীছ মাওলানা মুহাম্মাদ যাকারিয়া ছাহেব কান্ধলভী (রহঃ); অনুবাদ : মুফতী মুহাম্মাদ উবাইদুল্লাহ, ফাযায়েলে যিকির, (দারুল কিতাব : বাংলাবাজার, ঢাকা; অক্টোবর, ২০০১ ইং), পৃঃ ১৩৫ ।) জান্নাত এমন যে, না কোন চোখ দেখেছে, না কোন কান শুনেছে এবং না কোন হৃদয় কল্পনা করেছে। (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫৬১২ ।) . (১৫)তারা শুধু ইসলামের একটা সেক্টর নিয়ে কাজ করে, নবীজি সারা জীবন ইসলামের প্রত্যেক্টা সেক্টর এর উপর কাজ করেছেন . (১৬)তারা হই আসমানের উপরের কথা বলবে না হই জমিনের নিচের কথা বলবে . (১৭)তারা দাওয়াত দিতে গিয়ে কোথাও বাধা পেয়েছে এইরকরম ঘটনা শুনেছেন কখনো।না শুনেননি।কারন উনারা যে সিস্টেমে দাওয়াত দেন সেটা বোধ হই রাসুলগন জানতেন না।নাউজুবিল্লাহ।কারন যতজন নবী দাওয়াত দিয়েছেন সবাই হই মার খেয়েছেন না হই অনেক অপমানিত হয়েছেন। . (১৮)তারা এমন কোন কথা তাদের বয়ানে বলেন না যাতে কুফফাররা অখুশি হই।দুনিয়ার কোন দেশে তাদের কোন বাধা নাই। . (১৯)আল্লাহর বিধানের সাথে বিদ্রূপ,রাসুলকে নিয়ে কটুক্তি,আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে মানবরচিত বিধান দিয়ে দেশ পরিচালনা,কুফুরী সংবিধান দিয়ে দেশ পরিচালনা,নারী নেত্রীত্ত দিয়ে দেশ পরিচালনা,আলেমদেরকে বন্ধী-নিরযাতন করা, মাঝার পুজা,পীর পুজা ইত্যাদির বিরুদ্ধে কোন দিন বলতে শুনেছেন?কখনো শুনবেন না ইনশাল্লাহ।
Like · Reply · 2 · 3 hrs
MD Umair
MD Umair তারা দিনের খেদমত করে কিন্তু দ্বীনের খেদমত করেনা
Like · Reply · 2 · 3 hrs

Thursday, 12 November 2015

মাজার ব্যাবসা : প্রথম ছবি আখাউড়া, দ্বিতীয় ছবি গুলিস্হান ঢাকা, শেষেরটা পাকিস্হান

 প্রথম ছবি আখাউড়া, দ্বিতীয় ছবি গুলিস্হান ঢাকা, শেষেরটা পাকিস্হান


নয়াদিগন্ত নিউজ added 3 new photos.
মাজার ব্যাবসা বিনা পুঁজিতে
পুরোটাই লাভ, আসুন একটা
ব্যাবসা খুলি নিজেকে সাবলম্বী
করি!!!
প্রথম ছবি আখাউড়া।
দ্বিতীয় ছবি গুলিস্হান ঢাকা।
শেষেরটা পাকিস্হান ।
.
লাইক দিন ও শেয়ার করে
সবাইকে জানিয়ে দিন ।
.
দেশ-বিদেশের সকল খবর,
ব্রেকিং নিউজ, বিনোদন, ও
খেলার খবর পেতে সবাই
নয়াদিগন্ত নিউজ এ লাইক দিন ।