Monday, 16 November 2015

হানাফী মাযহাব : ইয়াহুদী খ্রীষ্টান,শিয়া,পীর,বুজুর্গ, সুফী ও হিন্দু সকল মতবাদ মিলে হল ইসলাম বিরধী হানাফী মাযহাব।


★★★★★★★★★★★★
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইয়াহুদী খ্রীষ্টান,শিয়া,পীর,বুজুর্গ,
সুফী ও হিন্দু সকল মতবাদ মিলে
হল ইসলাম বিরধী হানাফী
মাযহাব।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
******************************
সকল নাবীদের অহী অনুসরন করার
নাম হল ইসলাম।কুরঅান ও সুন্নাহে
পরিপূর্ন করে দিয়েছেন ইসলাম,তারা সঠিক বুঝবে যাদেরকে আল্লাহ বুঝা বেন,অনুসরন তারা করবে যাদেরকে আল্লাহ অনুসরন করাবেন, তারাই একমাএ আল্লাহর ইবাদতকারী ঈমান দার মুসলিম,তাদের জন্যই আল্লাহর জান্নাত নির্ধারিত।আর প্রবৃত্তির,খেয়া ল-খুশীর বা কিয়াস ইজমার অনুসর নকারী শয়তানের ইবাদত কারী অমু সলিম,তাদেরকে শয়তান শোভনীয় করে পরিচালিত করে কিয়াস ইজমার জাহান্নামের মাযহাবে।
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"তিনি সেই সত্তা যিনি প্রেরন করেছে ন তাঁর রাসুলকে কুরআনের মাযহাব বা পথ নির্দেশ ও সত্য ধর্ম ইসলামস হ অন্য সমস্ত(মনগড়া,খেয়াল-খুশীর,
প্রবৃত্তির বা কিয়াস ইজমার) ধর্মের উপর ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য,
যদিও মুশরিকরা উহা অপসন্দ করে।"
(সুরা সাফফাত/৬১ঃ৯ আয়াত,
সুরা ফাতাহ/৪৮ঃ২৮ আয়াত ও সুরা তাওবা/৯ঃ৩৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি মুসলিমদের
জন্য প্রত্যেক বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা
স্বরুপ মাযহাব বা পথ নির্দেশ,দয়া ও
সুসংবাদ সরুপ তোমার প্রতি কুরঅান অবতীর্ন করিলাম।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৮৯ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আকাশে ও পৃথি
বীতে এমন কোন গোপন রহস্য নাই
যাহা সুস্পষ্ট কুরআনে নাই।"
(সুরা নামল/২৭ঃ৭৫ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আমি এ কুরআ নে কোন কিছু বাদ দেইনি লিপিবদ্ধ করতে।"
(সুরা আনআম/৬ঃ৩৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসুল কে প্রবৃত্তি,খেয়াল-খুশীর বা কিয়াস ইজমা থেকে রক্ষা করার জন্য বলে নঃ"তাড়া তাড়ি অহী আয়ত্ব করিবার
জন্য তুমি তোমার জিহবা উহার সঙ্গে সঞ্চালন করিও না।ইহা সংরক্ষ ন ও পাঠ করিবার দায়িত্ব আমারই।
সুতরাং যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরন কর;
অতঃপর ইহার বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই।"
(সুরা কিয়ামা/৭৫ঃ১৬-১৯ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি আপনাকে প্রতি ষ্ঠিত করেছি দ্বীনের (দৈনন্দীন জীবন
ব্যবস্হার) এক বিশেষ পন্হার উপর
অতএব আপনি এর অনুসরন করুন এবং মূর্খদের প্রবৃত্তির (কিয়াস ইজমা র) অনুসরন করবেন না।"
(সুরা জাসিয়া/৪৫ঃ১৮ আয়াত)
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"আমাকে কুরঅা ন এবং তার সাথে অনুরোপ (সুন্নাহ)
দেয়া হয়েছে।"
(আবূ দাউদ)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ"আ জ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদে র জন্য পরিপূর্ন করে দিয়েছি এবং আ
মার নিয়ামত তোমাদের প্রতি পূর্ন করেছি আর তোমাদের জন্য ইসলাম
কে তোমাদের দ্বীন হিসাবে কবুল করে নিয়েছি।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"হে ঈমানদারগন!তোম রা পরিপূর্নভাবে ইসলামে(কুরঅান ও
সুন্নাহে) প্রবেশ কর আর শয়তানের অনুসরন কর না,কেননা শয়তান তো
মাদের প্রকাশ্য দুশমন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২০৮ আয়াত)
তিনি কাফিরদের সম্পর্কে বলেনঃ-
(তারা বলে)"আমরা কতিপয়ের প্রতি বিশ্বাস রাখি এবং কতিপয়কে অবি শ্বাস করি,আর তারা এর মাঝামাঝি
এক পথ উদ্ভাবন করতে চায়।তারাই
প্রকৃত পক্ষে কাফের।"
(সুরা নিসা/৪ঃ১৫০-১৫১ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"তবে কি তোম রা কুরআনের কিছু অংশে বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখান ক র? তোমাদের যারা এরুপ করে তাদের একমাএ প্রতিফল পার্থিব জীবনে হীন
তা এবং কিয়ামতের দিন তারা কঠিন
তম শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে।"
(সুরা বাকারা/২ঃ৮৫ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"যারা কাফির তারা মিথ্যার অনুসরন করে আর ঈমানদারগন সঠিক সরল সত্য পথ (কুরঅান ও সুন্নাহ) অনুসরন করে যা তাদের প্রভুর পক্ষ হতে এসেছে।"
(সুরা মুহাম্মদ/৪৭ঃ২-৩ আয়াত)
তিনি তাঁর রাসুলকে বলেনঃ"আমি এ
কুরঅানকে নাযিল করেছি এক বিধান
রুপে আরবী ভাষায় আপনি যদি তা দের খেয়াল-খুশীর(প্রবৃত্তির বা কিয়াস
ইজমার) অনুসরন করেন আপনার কাছে জ্ঞান (কুরঅান ও সুন্নাহ) আসা র পর তবে আল্লাহর মোকাবেলায় আপনার জন্য কোন সাহায্যকারীও থাকবে না এবং কোন রক্ষাকারীও না।"
(সুরা রাদ/১৩ঃ৩৭ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আমি তোমার
নিকট এই কুরঅান সত্যসহ অবতীর্ন
করিয়াছি সুতরাং আল্লাহর ইবাদত কর তাহার আনুগত্য বিশিদ্ধচিত্ত
হইয়া।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ২ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"বল,আমি তো
আদিষ্ট হইয়াছি আল্লাহর আনুগত্যে
একনিষ্ঠ হইয়া তাঁহার ইবাদত করি তে; আর আমাকে হুকুম করা হয়েছে
যে,সকলের আগে আমি নিজে মুসলি ম (আত্মসর্ম্পনকারী) হই।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ১১-১২ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"কুরঅান আসার
পর তাদের বাসনার অনুসরন করেন
তবে নিশ্চয়ই আপনি যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বেন।"
(সূরা বাকারা/২ঃ১৪৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"যেন রেখ যে,যালিমরা
ভোগ করবে স্হায়ী শাস্তি।"
(সুরা শূরা/৪২ঃ৪৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"তাদের সদৃশ্য হয়োনা যাদের নিকট প্রকাশ্য প্রমান
(কুরঅান ও সুন্নাহ)আসার পরও তারা
বিছিন্ন ও বিরোধ করেছে এবং তাদের
জন্য রয়েছে কঠিন আযাব।"
(সুরা ইমরান/৩ঃ১০৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"যাহারা ঈমান আনে আল্লাহ তাহাদের অলি(অভিভাবক) তিনি তাহাদেরকে অন্ধকার হইতে বাহির করিয়া আলোকে লইয়া যান। আর যাহারা কুফরী করে তাগুত তাহাদের অভিভাবক; ইহারা তাহা দেরকে আলো হইতে অন্ধকারে লইয়া
যায়।উহারাই অগ্নি অধিবাসী; সেখা নে তাহারা স্হায়ী হইবে।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২৫৭ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আল্লাহ কুরআনের মাধ্যমে অনেককে সঠিক পথ প্রদর্শন
করেন আর এর দ্বারা তিনি শুধু ফা সিকদের বিপথগামী করে থাকেন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আর আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করতে ইচ্ছা করে ন এবং যারা প্রবৃত্তির(কিয়াস ইজমা র) পূজারী তারা ইচ্ছা করে যে,তোম রা ঘোর অধঃপতনে পতিত হও।"
(সুরা নিসা/৪ঃ২৭ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"যে কেউ ইসলাম
ছাড়া অন্য কোন দ্বীন অন্বেষন করবে,
কখনও তা তার থেকে কবুল করা হবে
না;আর আখিরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত দের অন্তর্ভূক্ত।"
(সুরা ইমরান/৩ঃ৮৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"কুরঅান আল্লাহর পথ
(মাযহাব,তরিকা)নির্দেশ তিনি উহা
(কুরঅান) দ্বারা যাহাকে ইচ্ছা পথ প্রদ
র্শন করেন।আল্লাহ যাহাকে বিভ্রান্ত করেন তাহার কোন পথ প্রদর্শক নাই।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ২৩ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আল্লাহর পথ বা মাযহাব(কুরঅান ও সুন্নাহ)পরিত্যাগ
কারীগন ব্যতীত আর কাহাকেও বিভ্রা ন্ত করেন না।"
(সুরা কাহফ/১৮ঃ৩৯ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"যে ব্যক্তি দয়াম য় আল্লাহর স্মরনে(কুরঅান ও সুন্নাহ)
বিমূখ হয় আমি তার জন্যে নিয়োজি
ত করি এক শয়তান অতঃপর সেই হয় তার সহচর (সঙ্গী) আর সেই শয় তানেরাই মানুষকে সৎপথে বাধা প্রদান করে অথচ মানুষ মনে করে যে তারা সৎপথের উপরই রয়েছে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ৩৭-৩৮আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"তিনি একদলকে
সৎপথে পরিচালিত করেছেন এবং অ পর দলের জন্যে পথভ্রান্তি নির্ধারিত
হয়ে গেছে।তারা আল্লাহকে ছেড়ে শয়
তানকে অলী (অভিভাবক) হিসাবে গ্রহন করেছে এবং ধারনা করে যে তারা সৎপথে রয়েছে।"
(সুরা আ'রাফ/৭ঃ৩০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"কুরঅানকে করেছি এক
জ্যোতি,যার সাহায্যে আমি আমার
বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শ ন করে থাকি।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ১৫-১৬ আয়াত)
উপর উল্লিখিত আয়াত ও হাদীস সমূ হে প্রমান করে,আল্লাহ কুরঅান ও সুন্নাহে পরিপূর্ন করে দিয়েছেন ইসলা ম, আল্লাাহর ইবাদত করে ঈমানদার মুসলিম হওয়ার জন্য।নাবী রাসুলদে র এ ক্ষমতা দেওয়া হয় নাই কুরঅান
মুখস্ত রাখার ও কিয়াস ইজমা করে কুরঅান বুঝার ও অনুসরন করার।
সকল শক্তি,ক্ষমতা,হেদায়েত ও প্রশং সা একমাএ আল্লাহর;কাফির মুশরীক ,পীর বুজুর্গ,সুফী ও কিয়াস ইজমার ফিকাহর মাযহাবীরা অস্বীকার করে!!
আল্লাহ যাদেরকে তার ইবাদত করান
তাদেরকে একমাএ কুরঅান দিয়ে পরি
চালিত করেন,তারা ঈমানদার মুসলি
ম,একমাএ তাদের জন্যই আল্লাহর জান্নাত নির্ধারন করে রেখেছেন।আর
যারা প্রবৃত্তি,খেয়াল-খুশীর বা কিয়াসে র অনুসরন করে,তারা শয়তানের অনুসরন করে,নিজেদেরকে মা'বুদ দাবী করে আর আল্লাহ তাদের সঙ্গী
নিয়োগ করে দেন শয়তানকে;শয়তা ন শোভনীয় করে পরিচালিত করে কিয়াস ইজমার ফিকাহর জাহান্নামে র মাযহাবে!!!
সম্রাট বাবরের পুএ নাসিরুদ্দীন মুহাম্মাদ হুমায়ুন পিতার মৃত্যুর পর ১৫৩০ সালে মুঘল সিংহাসনে উপবে শন করন।কিন্তু ভাইদের চক্রান্ত আর
উদীয়মান আফগান শক্তির কবলে পড়ে তিনি ১৫৪০ সালে সিংহাসন হারা হন।রাজ্য হারা হুমায়ুন আশ্রয়ে র সন্ধানে বিভিন্ন স্হানে ঘুরাঘুরির পর ১৫৪৪ সালে তিনি পারস্যের সাফাভী সুলতান শাহ্ তামাশপের নিকট আশ্রয় গ্রহন করেন।শী'আ মতাবলম্বী শাহ্ তামাশপ হুমায়ুনকে
আশ্রয় দেন এবং দিল্লীর সিংহাসন পুনরুদ্ধারেরর জন্য সাহায্য করবেন
তিনটি শর্তেঃ ১| হুমায়ুন শী'আ মতবাদ গ্রহন করতে হবে,২| মুঘল সাম্রাজ্যে অর্থাৎ ভারতবর্ষে রাষ্টীয়ভা বে শী'আ মতবাদ প্রচার করতে হবে,
৩| ফারসী ভাষা ও সংস্কৃতি ভারতে
রাষ্টিয়ভাবে চালু করতে হবে।এসব শর্তে রাজী হলেন হুমায়ুন এবংসুদীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ তিনি পারস্যের রাজদ রবারে অবস্হান করে শী'আ মত রপ্ত
করলেন।তারপর শী'আদের সাহায্য
নিয়ে তিনি ১৫৫৫ সালে পুনরায় দিল্লী
অধিকার করে মুঘল সিংহাসন পুনরু দ্ধার করলেন।মুঘল রাজবংশ আবার
ভারতবর্ষের সিংহাসনে বসল কিন্তু সম্পূর্ন শী'আ আবরনে।হুমায়ুনের মা
শী'আ তার স্ত্রী হামিদা বানু শী'আ, প্রধান উপদেষ্টা বৈরাম খাঁও শী'আ।
পারস্যের সৈন্যবাহিনী শী'আ,উলা মা শী'আ,শিল্পী খাজা আবদুস সামা দ ও মীর সৈয়দ আলী শী'আ।স্হপ তি শী'আ এবং প্রচারদলও শী'আ। ফলে চিন্তা চেতনা,প্রশাসন ও সংস্কৃতি
শী'আ পরিপুষ্ট।ভায়া তুর্কীর পরিবর্তে
ফার্সী চালু করা হ'ল সারা ভারতে।
ফলে হুমায়ুন সিংহাসন ফিরে পেলে ন বটে কিন্তু সুন্নী কানুন ছেড়ে শী'আ
মাযহাবে আত্ম নিবেদন করলেন।
ভারতের দ্বীনী প্রতিষ্ঠানগুলিতে হাদী
সের চর্চা থেকে ফারসী কিতাবের তা' লীম তাদরীস চলল জোরে শোরে।
কবি শেখ সাদীর গুলিস্তা ও বুস্তা,কবি
হাফিজের দিওয়ান,কবি ফিরদাউসীর
শাহনামা,গালিবের দিওয়ান,রুমীর মসনভী,ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত প্রভূতির পাঠন পঠন ও শিখন চলল।
পারস্যের সুফী ত্বরীক্বার আবাদ হ'ল।
শী'আদের ইমাম আর সূফীদের ক্ববর গুলি সুরম্য অট্রালিকায় গড়ে উঠল।
ইবাদতের কুরঅানী ভাষা ও শব্দগুলি
ফারসী ভাষা ও শব্দে রুপান্তরিত হ'ল
এবং মজবুতভাবে রপ্ত হ'ল।সলাতের
পরিবর্তে নামায,সিয়ামের পরিবর্তে রোযা,জান্নাতের পরিবর্তে বেহেশত,
জাহান্নামের পরিবর্তে দোযখ,ক্ববর স্হানের পরিবর্তে গোরস্হান ইক্যাদি
শত শত শব্দ সংযোজন হ'ল।ক্ষতি
হ'ল প্রচুর।কারন কুরআনের এবটি হরফ উচ্চারনে ১০ টি সাওয়াব।এক্ষে ত্রে সে সাওয়াব হতে ভারতীয় মুসলি মরা বঞ্চিত হ'ল।
জমিনবুচি,কদমবুচি রেওয়াজ চালু
হ'ল উস্তাদ আর গুরুজনকে ঘিরে মাযারগুলি রাতারাতি ইবাদতগাহে
পরিনত হ'ল।তীর্থস্হানরুপে এগুলি তেও সাজদাহ,মানত,নযর নেওয়াজ
শুরু হ'ল।পারস্যের আমদানী পীর মুরিদী সিলসিলাহ ভারতবর্ষে যেন ধর্মকর্মের একমাএ অবলম্বন রুপে দেখা দিল।মীলাদ,কুলখানী,চল্লিশা,
চেহলাম,ওরশ,ইছালে সাওয়াব সবই
খানদানী কায়দায় ইরান হতে আম দানী হ'ল।মাক্কাহ্-মাদীনার আরবীয়
ইবাদাত সবই ফারসী বন্দেগীতে যেন
নতুন প্রান পেল এ ভারতবর্ষে মুঘলদে র যামানায়।এগুলো সবই ইসলাম বিরধী বিধর্মীদের ধর্ম।অন্ধভক্তের দল বিনা দলীলে এগুলিই ধর্ম বলে খানকাহ্ দরগাহ ও দরবার গুলজার
করে ফেলল।শী'আরা যেমন বিনা দলীলে আহলে বাইতের নামে নানা
অজানা আজগুবি রসম রেওয়াজ চালু করে সঠিক ইসলামের কবর দিয়েছে!!!
ভারত উপমহাদেশ ইংরেজরা দখল
করে,মুসলিমদের ওপর শোষন,নির্যা তন দুনীতির হারও দিন দিন বৃদ্ধি
পেতে থাকে।সুকৌশলে এদেশের মাদ্রাসা ও মসজিদ সমূহের বিরাট
ওয়াকফ এস্টেট সমূহ রাষ্টায়ক্ত্ব করি য়া উহার আয়ে স্বাধীনভাবে পরিচালি ত অবৈর্তনিক মাদ্রাসা সমূহের বিলো প সাধনপূর্বক ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি অপমৃত্যু ঘটানোর প্রায়াস
চালায়।শুধু তাহাই নয় বরং রাষ্টায়ত্ত্ব
ভূসম্পত্তি সমূহ হিন্দু জমিদারদিগকে
চিরস্হায়ী বন্দোবস্ত দিয়া তাদের সহা
য়তায় এদেশে বৃটিশ শাসন পাকাপো ক্ত করার অপকৌশল গ্রহন করা হয়।
প্রতিবাদী মাওলানা ইমাম বখশের সামনে তার দুই পুএকে যন্ত্রনা ও নিষ্ঠুরতার সঙ্গে হত্যা করার পর
সর্বশেষে মাওলানা ইমাম বখশকে
হাত পা বাধা অবস্হায় বন্দুকের
দিকে তাকিয়ে থাকতে বলা হয়।বন্দু কের গুলি তার মুখের দিকে ছোড়া হলো,মুখমন্ডল চুর্ন বিচূর্ন হয়ে গেল।
রক্তাপুত দেহ নির্বাপিত হল বিপ্লবী মাওলানার জীবন।আলেম নিধন শুরু হলো।ইতিহাসবিদ টমসনের মত এভাবে তিন বছর পর্যন্ত আলেম
নিধনে ইংরেজরা মেতে উঠে।চট্রগ্রাম
থেকে খায়বার পর্যন্ত গ্রান্ড ট্রাংক রো ডের দুপাশের একটি বৃক্ষ শাখাও
এমন ছিল না যাতে ঝুলছিল না কোন শহীদের লাশ,আন্দামান মাল্টা ও সাইপ্রাস সহ বিভিন্ন দ্বীপে আলেমদেরকে নির্বাসিত করে আলেম শুন্য করে।এক সময়ের ঘরে ঘরে আলেম থাকা সত্বেও পরে জানাযার নামায পড়ানোর মত কোন আলেম ছিল না এ এক কলংক ময় ইতিহাস। আলেম নিধনের প্রতিবাদে যখন বলা হয়েছিল ছোট ছোট কুরআনের হাফেজরা বড় হয়ে দ্বীন ইসলাম প্রচার করবে,তখন তাদের মুখ কিভাবে বন্ধ করবে? ইংরেজরা বলে ছিল এদেরকে দিয়েই আমাদের ধর্ম প্রচার করব।দুঃখ জনক হলেও সত্য যে,তখন থেকে আজও ইসলামের নামে কুরঅান ও সুন্নাহ অথাৎ ইসলাম বিরধী শিক্ষায় আলেম তৈয়ারী হইতেছে।
ইংরেজরা ও তাদের নিযুক্ত হিন্দু জমিদার কঠোর নির্যাতনের মাধ্যমে ভারত উপমহাদেশের মুসলিমদের ঈমান আকিদা ধর্মবিশ্বাস প্রভুতি সর্ব
স্বন্ত করার অসম নীতি গ্রহন করে, ফলে মুসলিমরা ধর্মীয়,সামাজিক,
রাজনৈতিক,অর্থনৈতিকসহ সকল ক্ষেএে পিছিয়ে পরে।
বহু মসজিদ ও সমস্ত মাদ্রাসা ধ্বংস
করে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জব্দ করে,যেখানে শুধু দিল্লীতেই এক হাজা
র মাদ্রাসা ছিল সেখানে ১৭৬৫ সালে র পর ভারত উপমহাদেশে একটিও
মাদ্রাসা থাকল না।
১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজরা কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তখন তৎকালীন ইংরেজ গর্ভনর ড.ম্যাক লিকে মাদ্রাসার সিলেবাস তৈরী করার দায়িত্ব দেয়।এই সুযোগে কুরঅান ও সহীহ সুন্নাহর (দ্বীন ইস লামের) পরিবর্তে বিদাত,শিরক, হককে বাতিল, বাতিলকে হক দ্বীন ইসলাম বলে চালু করে দেয়,যার কোন দলিল প্রমান নাই।বর্তমানে পীর বুজুর্গ,আলেম ও হুজুরগন এর ধারক ও বাহক।
১৮৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হয় এবং
পাকিস্তান রাষ্টের জন্ম হয়।স্বাধীনতা র পর কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসার যাবতীয় রেকর্ড,লাইব্রেরীর ২৯ হাজা র বই ও আসবাবপএাদি বাংলাদেশে র রাজধানী ঢাকায় স্হানন্তরিত হইয়া বকশী বাজারে বাংলাদেশ সরকার নির্মিত এিতল প্রসাদে স্হায়ী ভাবে স্হাপিত হয়।মাদ্রাসার প্রথম ২৬ জন প্রিন্সিপাল ছিল খৃষ্টান।প্রিন্সি
পালের নাম ঢাকা আলিয়া মাদ্রসার প্রন্সিপালের রুমের দেয়ালে টানানো এবং মাওলানা মমতাজ উদ্দীন আহ মদ লিখিত ইসলামি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত মাদ্রাসাই আলিয়ার ইতিয়া স বইয়ে লিখিত আছে।
আলিয়া মাদ্রাসার খৃষ্টান প্রিন্সিপা লেরা যখন নিশ্চিত হয়েছে যে,সিলে
বাস তাদের ইচ্ছামত তৈরী হয়েছে, ফিকাহ শাস্ত্রে ভূল ঢুকানোর পর কুরঅান হাদীস থেকে সরাসরি ইসলাম জানার পরিবর্তে ফিকাহ শাস্ত্রে হতে ইসলাম জানার ব্যবস্হা হয়েছে,সিলেবাসের বইয়ে প্রয়োজনী য় মৌলিক ভূল ঢুকানো হয়েছে এবং সহজে ঐ তথ্য কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না তখন প্রিন্সিপালের দায়িত্ব মুসলমানদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে,আলিয়া মাদ্রাসায় যে দ্বীন ইসলামের নামে কুরঅান ও সুন্নাহ বিরধী শিক্ষায় শিক্ষিত আলেমগন অধিকাংশ কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক।
(চলবে)

No comments:

Post a Comment