★★★★★★★★★★★★
******************************
*****************************
দানব,মানব,পীর,অলী,আওলিয়া,
ইহুদী,খ্রীষ্টান, বুজুর্গ ও শয়তানের
ইবাদত করার জন্য আল্লাহ মানুষ
সৃষ্টি করেন নাই? একমাএ আল্লাহর
ইবাদত করার জন্য দানব,মানব
সৃষ্টি করেছেন।
******************************
******************************
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ -
"তাদেরকে বলা হবে,তারা কোথায়
তোমরা যাদের ইবাদত করতে আল্লা
হর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে অথবা তারা কি আত্মরক্ষা করতে সক্ষম? অতঃপর তাদেরকে ও পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে
নিক্ষেপ করা হবে।এবং ইবলীসের বাহিনীর সবকেও।"
(সুরা শূআরা/২৬ঃ৯২-৯৫আয়াত)
তিনি বলেনঃ"ফিরিশতাদেরকে বলা হইবে,একএ কর জালিম ও উহাদের সহচরগনকে এবং উহাদেরকে যাহাদে র ইবাদত করিত তাহারা আল্লাহর পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে।" (সুরা সাফফাত/৩৭:২২-২৩ আয়াত)
রাসুল (সঃ) বলেছেনঃ"রোজ কিয়াম তে আল্লাহ পাক সকল মানুষকে এক এ করিয়া বলিবেন দুনিয়ায় তোমরা
যে যাহার ইবাদত করিয়াছিলে আজ
তাহারই অনুসরন কর।"
(সহীহ মুসলিম)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ- "যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবক রুপে গ্রহন করে তারা বলেঃআমরা তো এদের ইবাদত এজন্যই করি যে, এরা আমাদের আল্লাহর সান্নিধ্যে এনে দিবে।তারা যে বিষয়ে পরস্পরের মধ্যে মতভেদ করছে আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে এর ফায়সালা করে দিবেন।নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা এমন ব্যক্তিকে হিদায়াত দান করেন না যে জঘন্য মিথ্যুক সত্যপ্রত্যাখ্যানকারী।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তারা তাদের আলেম দেরকে ও ধর্মযাজকদেরকে তাদের প্রভুরুপে গ্রহন করিয়াছে।"
(সুরা তওবা/৯ঃ৩১ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তাদের অধিকাংশ আল্লাহর উপর ঈমান রাখে,কিন্তু তারা মুশরিক।"
(সুরা ইউসুফ/১২ঃ১০৬ অায়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি কি দয়াময় আল্লাহ ব্যতিত কোন দেবতা স্হির করে ছিলাম যার ইবাদত করা যায়।"
(সুরা যুখরুপ/৪৩ঃ৪৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি সৃষ্টি করেছি জাহান্নামের জন্য এমন অনেক জ্বিন ও মানুষ যাদের অন্তর আছে বটে কিন্তু তা দিয়ে তারা বোঝেনা,তাদের চোখ আছে কিন্তু তাদিয়ে তারা দেখে না এবং তাদের কান আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা শোনে না তারা চতুসপদ জন্তুর ন্যায় বরং তারা তার চেয়েও নিকৃষ্টতর তারাই গাফেল উদাসীন।"
(সুরা আ'রাফ/৭ঃ১৭৯ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"হে আদম সন্তান
! আমি কি তোমাদেরকে নির্দেশ দিই নাই যে,তোমরা শয়তানের ইবাদত/দাসত্ব করিও না,কারন সে তো তোমা
দের প্রকাশ্য শক্র? আর আমারই ইবাদত/দাসত্ব কর,এটাই সরল পথ।"
(সুরা ইয়াসীন/৩৬ঃ৬০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আল্লাহর ইবাদত করি বার ও তাগুতকে বর্জন করিবার নির্দে
শ দিবার জন্য আমি তো প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রাসুল পাঠাইয়াছি। অতঃপর উহাদের কতককে আল্লাহ্ সৎপথে পরিচালিত করেন এবং উহা
দের কতকের উপর পথভ্রান্তি সাব্যস্ত
হয়েছিল।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৩৬ আয়াত)
কুরঅানেরর পরিভাষায় তাগুত বলা
হয় এমন ব্যক্তিকে যে বন্দেগী ও দাষ ত্বের সীমালংঘন করে নিজেই আল্লাহ
হওয়ার ভান করে এবংআল্লাহর বান্দা
দেরকে নিজের বন্দেগী বা দাষত্ব কর তে বাধ্য করে।অন্য কথায়,যে ব্যক্তি আল্লাহর বিদ্রোহী হয়ে তাঁরই রাজ্যে তাঁরই প্রজাদের উপর নিজের আইন ও হুকুমাত চালাতে শুরু করে তারাই-তাগুত।এই ইবলীশ শয়তানের দল আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে নিজেরা আমলের বিধান দিয়ে মাবুদ হয়ে ইবাদতের আসনে বসে আছে।আল্লা হ তা'আলা তো জাহান্নাম ও জাহান্না মীদেরকেও সৃষ্টি করেছেন।শয়তান
এবং কাফিরদের এ জন্যেই সৃষ্টি করা হয়েছে।তিনি স্বীয় বান্দাদের কুফরীর উপর কখনো সন্তুষ্ট নন। এই ইবলীশ শয়তানের দলই জাহান্নামী।
কুরআনও সহীহ সুন্নাহ অনুসরনকা রীদের মধ্য হতে যাকে ইচ্ছা তাকে আল্লাহ তাঁর ইবাদত করাবে এটা এক মাএ আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।আল্লাহ তাদেরকে তাঁর ইবাদত করান না, যারা মানব,দানব রচিত মনগড়া বানোয়াট কিতাবের আমল
করে,যেমনঃ-শিখা চিরন্তন ও শিখা অনির্বান প্রজুলন ও এগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা,মংগল প্রদীপ জ্বা লানো,শহীদ মিনারে ও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাভরে নগ্নপদে মুর্তি-পুজারীদের মতো পুস্পস্তবক অর্পন করা,যাদু,সুতা ,তাগা,তাবিজ ব্যবহার কারা,মিলাদ, সাবিনা,মৃত্যু দিবস কুরঅানখানী, একের অধিক একসংগে শব্দ করে কুর আন খতম,উচ্চ স্বরে জিকির করা,ফা তিহা ইয়াজদহম,শবে মিরাজ,ওরস অনুষ্ঠান,মাজার পুজা,শবে বরাত পা লন,মৃত ব্যক্তির নিকট কুরঅান পড়া, জশনে জৌলুস,ঈদে মিলাদুন্নবী,চল্লি শা পালন,বিশ্ব ইজতেমা,ঘরসংসার ছেড়ে চিল্লায়গমনকারী,এবংবিড়িখো র,গাজাখোর,মদখোর,ঘুষখোর,সুদখোর সকল নেশাখোর, এদেরকে আ ল্লাহ তাঁর ইবাদত করাতে পারেন না, করাবেন না;যতক্ষন পর্যন্ত তারা তও বা করে,আল্লাহর নিকট আত্মসর্ম্পন কারী (মুসলিম) না হবে। আল্লাহ মহাক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
******************************
*****************************
দানব,মানব,পীর,অলী,আওলিয়া,
ইহুদী,খ্রীষ্টান, বুজুর্গ ও শয়তানের
ইবাদত করার জন্য আল্লাহ মানুষ
সৃষ্টি করেন নাই? একমাএ আল্লাহর
ইবাদত করার জন্য দানব,মানব
সৃষ্টি করেছেন।
******************************
******************************
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ -
"তাদেরকে বলা হবে,তারা কোথায়
তোমরা যাদের ইবাদত করতে আল্লা
হর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে অথবা তারা কি আত্মরক্ষা করতে সক্ষম? অতঃপর তাদেরকে ও পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে
নিক্ষেপ করা হবে।এবং ইবলীসের বাহিনীর সবকেও।"
(সুরা শূআরা/২৬ঃ৯২-৯৫আয়াত)
তিনি বলেনঃ"ফিরিশতাদেরকে বলা হইবে,একএ কর জালিম ও উহাদের সহচরগনকে এবং উহাদেরকে যাহাদে র ইবাদত করিত তাহারা আল্লাহর পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে।" (সুরা সাফফাত/৩৭:২২-২৩ আয়াত)
রাসুল (সঃ) বলেছেনঃ"রোজ কিয়াম তে আল্লাহ পাক সকল মানুষকে এক এ করিয়া বলিবেন দুনিয়ায় তোমরা
যে যাহার ইবাদত করিয়াছিলে আজ
তাহারই অনুসরন কর।"
(সহীহ মুসলিম)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ- "যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবক রুপে গ্রহন করে তারা বলেঃআমরা তো এদের ইবাদত এজন্যই করি যে, এরা আমাদের আল্লাহর সান্নিধ্যে এনে দিবে।তারা যে বিষয়ে পরস্পরের মধ্যে মতভেদ করছে আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে এর ফায়সালা করে দিবেন।নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা এমন ব্যক্তিকে হিদায়াত দান করেন না যে জঘন্য মিথ্যুক সত্যপ্রত্যাখ্যানকারী।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তারা তাদের আলেম দেরকে ও ধর্মযাজকদেরকে তাদের প্রভুরুপে গ্রহন করিয়াছে।"
(সুরা তওবা/৯ঃ৩১ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তাদের অধিকাংশ আল্লাহর উপর ঈমান রাখে,কিন্তু তারা মুশরিক।"
(সুরা ইউসুফ/১২ঃ১০৬ অায়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি কি দয়াময় আল্লাহ ব্যতিত কোন দেবতা স্হির করে ছিলাম যার ইবাদত করা যায়।"
(সুরা যুখরুপ/৪৩ঃ৪৫ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি সৃষ্টি করেছি জাহান্নামের জন্য এমন অনেক জ্বিন ও মানুষ যাদের অন্তর আছে বটে কিন্তু তা দিয়ে তারা বোঝেনা,তাদের চোখ আছে কিন্তু তাদিয়ে তারা দেখে না এবং তাদের কান আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা শোনে না তারা চতুসপদ জন্তুর ন্যায় বরং তারা তার চেয়েও নিকৃষ্টতর তারাই গাফেল উদাসীন।"
(সুরা আ'রাফ/৭ঃ১৭৯ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"হে আদম সন্তান
! আমি কি তোমাদেরকে নির্দেশ দিই নাই যে,তোমরা শয়তানের ইবাদত/দাসত্ব করিও না,কারন সে তো তোমা
দের প্রকাশ্য শক্র? আর আমারই ইবাদত/দাসত্ব কর,এটাই সরল পথ।"
(সুরা ইয়াসীন/৩৬ঃ৬০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আল্লাহর ইবাদত করি বার ও তাগুতকে বর্জন করিবার নির্দে
শ দিবার জন্য আমি তো প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রাসুল পাঠাইয়াছি। অতঃপর উহাদের কতককে আল্লাহ্ সৎপথে পরিচালিত করেন এবং উহা
দের কতকের উপর পথভ্রান্তি সাব্যস্ত
হয়েছিল।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৩৬ আয়াত)
কুরঅানেরর পরিভাষায় তাগুত বলা
হয় এমন ব্যক্তিকে যে বন্দেগী ও দাষ ত্বের সীমালংঘন করে নিজেই আল্লাহ
হওয়ার ভান করে এবংআল্লাহর বান্দা
দেরকে নিজের বন্দেগী বা দাষত্ব কর তে বাধ্য করে।অন্য কথায়,যে ব্যক্তি আল্লাহর বিদ্রোহী হয়ে তাঁরই রাজ্যে তাঁরই প্রজাদের উপর নিজের আইন ও হুকুমাত চালাতে শুরু করে তারাই-তাগুত।এই ইবলীশ শয়তানের দল আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে নিজেরা আমলের বিধান দিয়ে মাবুদ হয়ে ইবাদতের আসনে বসে আছে।আল্লা হ তা'আলা তো জাহান্নাম ও জাহান্না মীদেরকেও সৃষ্টি করেছেন।শয়তান
এবং কাফিরদের এ জন্যেই সৃষ্টি করা হয়েছে।তিনি স্বীয় বান্দাদের কুফরীর উপর কখনো সন্তুষ্ট নন। এই ইবলীশ শয়তানের দলই জাহান্নামী।
কুরআনও সহীহ সুন্নাহ অনুসরনকা রীদের মধ্য হতে যাকে ইচ্ছা তাকে আল্লাহ তাঁর ইবাদত করাবে এটা এক মাএ আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।আল্লাহ তাদেরকে তাঁর ইবাদত করান না, যারা মানব,দানব রচিত মনগড়া বানোয়াট কিতাবের আমল
করে,যেমনঃ-শিখা চিরন্তন ও শিখা অনির্বান প্রজুলন ও এগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা,মংগল প্রদীপ জ্বা লানো,শহীদ মিনারে ও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাভরে নগ্নপদে মুর্তি-পুজারীদের মতো পুস্পস্তবক অর্পন করা,যাদু,সুতা ,তাগা,তাবিজ ব্যবহার কারা,মিলাদ, সাবিনা,মৃত্যু দিবস কুরঅানখানী, একের অধিক একসংগে শব্দ করে কুর আন খতম,উচ্চ স্বরে জিকির করা,ফা তিহা ইয়াজদহম,শবে মিরাজ,ওরস অনুষ্ঠান,মাজার পুজা,শবে বরাত পা লন,মৃত ব্যক্তির নিকট কুরঅান পড়া, জশনে জৌলুস,ঈদে মিলাদুন্নবী,চল্লি শা পালন,বিশ্ব ইজতেমা,ঘরসংসার ছেড়ে চিল্লায়গমনকারী,এবংবিড়িখো র,গাজাখোর,মদখোর,ঘুষখোর,সুদখোর সকল নেশাখোর, এদেরকে আ ল্লাহ তাঁর ইবাদত করাতে পারেন না, করাবেন না;যতক্ষন পর্যন্ত তারা তও বা করে,আল্লাহর নিকট আত্মসর্ম্পন কারী (মুসলিম) না হবে। আল্লাহ মহাক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
ইব্রাহীম ও ইসমাইল (আঃ) আল্লাহর
নিকট পার্থনা করলেনঃ-"হে আমার প্রতিপালক! আমাদেরকে ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি দেখাইয়া দাও এবং আ মাদের প্রতি ক্ষমাশীল হও।তুমি অত্যান্ত ক্ষমাশীল,পরম দয়ালু।"
(সুরা বাকারা/২ঃ১২৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলাবলেনঃ-
"আল্লাহ ইব্রাহীমকে মনোনীত করি য়াছিলেন এবং তাঁহাকে পরিচালিত করিয়া ছিলেন সরল পথে।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ১২১ আয়াত)
তিনি রাসুলকে বলেন,আপনি বলেদি নঃ "আমার প্রতিপালক তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন।উহা ই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন (ইসলাম) ইব্রাহী মের ধর্মদার্শ,সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে মুশরিকদের অন্তভূক্ত ছিলনা।"
(সুরা আনআম/৬ঃ১৬১ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
কুরআনকে করেছি এক জ্যোতি যার সাহায্যে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করে থাকি।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ১৫-১৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আল্লাহ
কুরআনের মাধ্যমে অনেকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন আর এর দ্বারা তিনি ফাসিকদেরকে বিপথগামী করে থাকেন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২৬ আয়াত)
আল্লাহ এবং তদীয় রাসুলুল্লাহ (সঃ) যা পালন করতে নির্দেশ প্রদান করে ছেন এবং যা থেকে বিরত বা দূরে থাকতে বলেছেন সে গুলোকে যথাযথ ভাবে পালন করার নামই হল ইবাদত।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৩৬,সুরা হিজর /২৫ঃ৯৯ ও সুরা আম্বিয়া/২১ঃ২৫
আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"যে ব্যক্তি তার রব্বের সাক্ষাৎ লাভের (জান্নাতি হওয়ার) অাশা রাখে সে যেন নেক কাজ করে।তার রব্বের ইবা দতে অন্য কাউকে শরীক না করে।"
(সুরা কাহফ/১৮ঃ১১০ আয়াত)
কুরঅান অনুসরনই আল্লাহর ইবাদ ত ,মহান আল্লাহতা'আলা বলেনঃ- "আমি তোমার নিকট এই কিতাব (কু রআন) সত্যসহ অবতীর্ন করিয়াছি। সুতরাং আল্লাহর ইবাদত কর তাঁহার আনুগত্য বিশুদ্ধচিত্ত হইয়া।"
(সুরা যুমার /৩৯ঃ২ আয়াত)
তিনি তাঁর নাবীকে বলেন,তুমি বল, আমি তো আদিষ্ট হইয়াছি আল্লাহর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হইয়া তাঁহার ইবা দত (বন্দেগী) করিতে;আর আমাকে হুকুম করা হয়েছে যে,সকলের আগে আমি নিজে মুসলিম (আত্মসর্ম্পন কারী) হই।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ১১-১২আয়াত)
তিনি আরো বলেন,তুমি বলঃ"আমা
র সালাত/নামাজ,আমার ইবাদত,
আমার জীবন ও আমার মরন জগত সমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই উদ্দে শ্যে।তাঁহার কোন শরীক নাই এবং আমি ইহারই জন্য আদিষ্ট হইয়াছি
এবং আমিই প্রথম মুসলিম।"
(সুরা আনআম/৬ঃ১৬২-১৬৪ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তোমরা মুসলিম হওয়া র পর সে কি তোমাদেরকে কুফরীর নির্দেশ দিবে?"
(সুরা ইমরান/৩ঃ৮০ আয়াত)
আল্লাহর 'ইবাদত পদ্ধতি' 'ইসলাম'
প্রেরন করেছেন বিজয় করার জন্য মনগড়া আমলের তাগুতের ইবাদতে
র ধর্ম থেকে।
মহান আল্লাহতা'আলা বলেনঃ"তিনি
সেই সত্তা,যিনি প্রেরন করেছেন তাঁর
রাসুলকে কুরআনের পথ নির্দেশ ও সত্য ধর্ম ইসলামসহ অন্য সমস্ত (মা
নব রচিত মনগড়া আমলের) ধর্মের
উপর ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য।
যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।"
(সুরা তাওবা/৯ঃ৩৩,সুরা ফাতাহ/
৪৮ঃ২৮ ও সুরা সাফফ/৬১ঃ৯ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি উহাদেরকে এমন কোন কিতাব দিয়াছি যাহার প্রমানের উপর ইহারা নির্ভর করে?
বস্তুত জালিমরা একে অপরকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়া থাকে।"
(সুরা ফাতির/৩৫ঃ৪০ আয়াত)
নিষ্ঠাপূর্ন ইবাদত কেবলমাএ আল্লাহর জন্য।আমরা প্রতি নামাজে সূরা ফাতিহায় এই কথাই স্বীকৃতি দেই; আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার নিকট সাহায্য চাই।"
(সুরা ফাতিহা/১ঃ৪-৫ আয়াত)
ইব্রাহীম(আঃ)বলেনঃ"যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন,তিনিই আমাকে সৎপ থে পরিচালিত করিবেন।এই ঘোষনা সে স্হায়ী বানীরুপে রেখে গেছে তার পরবর্তীদের জন্য যাতে তারা আল্লাহ র দিকে ফিরে আসে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ২৭-২৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসুল কে বলেনঃ"আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের ইবাদত/দাষত্ব করবে ন না।করলে আপনি শাস্তি প্রাপ্তদের শামিল হয়ে পরবেন।আপনি আপনা র নিকট আত্মীয়দেরকে সতর্ক করুন" (সুরা শূরা/২৬ঃ২১৩-২১৪ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"বিধান দেয়ার অধিকার শুধু আল্লাহর ই,তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে,তোমরা শুধুমাএ তাঁর ইবাদত করবে আর কারো ইবাদত করবে না,এটাই সরল সঠিক দীন,কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এটা অবগত নয়।"
(সুরা ইউসুফ/১২ঃ৪০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্যে সম্পূর্ন (পরি পূর্ন) করে দিয়েছি এবংআমার নিয়াম
ত তোমাদের প্রতি পূর্ন করেছি আর
তোমাদের জন্যে ইসলামকে তোমা দের দীন হিসাবে কবুল করে নিয়েছি।
(সুরা মায়েদা/৫ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"হে ঈমানদারগন!তোম রা পরিপূর্নভাবে ইসলামে প্রবেশ কর আর শয়তানের অনুসরন করনা
কেননা শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২০৮ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি আপনাকে প্রতি
ষ্ঠিত করেছি দীনের এক বিশেষ পন্হা র উপর অতএব আপনি এর অনুসরন করুন;এবংমূর্খদের প্রবৃত্তির অনুসরন করবেন না।"
(সুরা জাসিয়া/৪৫ঃ১৮ আয়াত)
তিনি রাসুলকে বলেনঃ"আপনি তার উপর অটল থাকুন যা আপনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে নাযিল করা হয়েছে। নিশ্চয় আপনি রয়েছেন সরল সঠিক পথে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ৪৪ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরনে (কুরআন ও সুন্নাহ) বিমূক হয় আমি তার জন্যে নিয়ো জিত করি এক শয়তান,অতঃপর সেই হয় তাহার সহচর (সঙ্গী)।আর সেই শয়তানেরাই মানুষকে সৎপথে বাধা প্রধান করে যে তারা সৎপথে পরিচালিত হইতেছে।অবশেষে যখন সে আমার নিকট উপস্হিত হইবে তখন সে শয়তানকে বলিবে,হায়! আমার ও তোমাদের মধ্যে যদি পূর্ব ও পশ্চিমের ব্যবধান থাকিত! কত নিকৃষ্ট সহচর সে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩:৩৬-৩৮ আয়াত)
উপর উল্লিখিত আয়াত ও সহীহ হাদীস সমূহে প্রমান করে মহান আল্লাহ তা'আলা দানব,মানব সৃষ্টি করে তাদের জন্য জান্নাত ও জাহান্না ম সৃষ্টি করেন।জান্নাতিদের ও জাহা ন্নামীদের জন্যে মাযহাব/পথ বা আম লও সৃষ্টি করে দিয়েছেন।তিনি কতম হান যিনি তাঁর আওয়াতাধীন রেখে ছেন কাকে জান্নাতের আমল ও জাহা ন্নামের আমল করাবে।দয়াময় আল্লা হ বলেন, তিঁনি যাদেরকে তাঁর ইবাদ ত করাবেন না;তারা ইবলীশ শয়তা নের ইবাদত করবে তাদের আমলগু লি হবে দানব মানব রচিত কিতাবের আমলের অনুরুপ।আর তিনি যাকে তাঁর ইবাদত করাবে তার আমল কুর আন অনুযায়ী হবে।তিনি তাঁর দীন ইসলামকে বিজয় করার জন্যই তাঁর পক্ষ থেকে ইবাদত পদ্ধতি ইসলাম দিয়েছেন।আর ভারত উপমহাদেশে এই ইসলামকে পরাজয় করার জন্য ইংরেজদের দেওয়া মনগড়া ইবাদত পদ্ধতি আমলের কিতাব রচনা করে, তার তাবলীগ,অামল,বয়ান ও ওয়াজ করে,ইংরেজদের রেখে যাওয়া বিধর্মী দের বানোয়াট মনগড়া ধর্ম বিজয় করতেছে ইসলামের নামে;সঠিক ইস লামের কবর দিয়ে।আল্লাহর ইবাদত পদ্ধতির সঠিক জ্ঞান না থাকার কার নে ভারত উপমহাদেশে ইংরেজদের দেওয়া কিয়াস ইজমা মাযহাবের ধর্ম পালনের মাধ্যমে শয়তানের ইবাদত করিতেছে;আল্লাহর ইবাদতের নামে।
তিঁনি কতমহান তাঁর ইবাদ করে, ইসলামকে বিজয় করার জন্য ম'মিন মুত্তাকী ও মুসলিমদের,জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন রাসুল (সঃ) কে অনুসরনের এবং রাসুল (সঃ) মুত্যুর পর শয়তানে র দল ধোকা দিতে না পারে তার জন্য রাসুল (সঃ) একমাএ তাঁর সাহা বীদের অনুসরনের নির্দেশ দিয়েছেন।
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"তোমরা আ মার ও আমার খুলাফায়ে রাশেদীনে র সুন্নাত (তরিকা/মাযহাব) কে আক ড়ে ধর।"
(ইবনে মাজাহ)
তিনি আরো বলেছেনঃ"একমাএ আমি এবং আমার সাহাবীদের যারা অনুসরন করে তারা ছাড়া অন্যরা জাহান্নামী।"
(তিরমিযী)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ"হে মু'মিনগন!তোমরা রুকু কর,সিজদা কর এবং তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত কর ও সৎকর্ম কর,যাহাতে সফলকাম হইতে পার।"
(সুরা হাজ্জ/২২ঃ৭৭ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"ইয়াকীন তথা মৃত্যু উপস্হিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদত কর।"
(সুরা হিজর/১৫ঃ৯৯ আয়াত)
নিকট পার্থনা করলেনঃ-"হে আমার প্রতিপালক! আমাদেরকে ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি দেখাইয়া দাও এবং আ মাদের প্রতি ক্ষমাশীল হও।তুমি অত্যান্ত ক্ষমাশীল,পরম দয়ালু।"
(সুরা বাকারা/২ঃ১২৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলাবলেনঃ-
"আল্লাহ ইব্রাহীমকে মনোনীত করি য়াছিলেন এবং তাঁহাকে পরিচালিত করিয়া ছিলেন সরল পথে।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ১২১ আয়াত)
তিনি রাসুলকে বলেন,আপনি বলেদি নঃ "আমার প্রতিপালক তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন।উহা ই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন (ইসলাম) ইব্রাহী মের ধর্মদার্শ,সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে মুশরিকদের অন্তভূক্ত ছিলনা।"
(সুরা আনআম/৬ঃ১৬১ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
কুরআনকে করেছি এক জ্যোতি যার সাহায্যে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করে থাকি।"
(সুরা মায়েদা/৫ঃ১৫-১৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"আল্লাহ
কুরআনের মাধ্যমে অনেকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন আর এর দ্বারা তিনি ফাসিকদেরকে বিপথগামী করে থাকেন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২৬ আয়াত)
আল্লাহ এবং তদীয় রাসুলুল্লাহ (সঃ) যা পালন করতে নির্দেশ প্রদান করে ছেন এবং যা থেকে বিরত বা দূরে থাকতে বলেছেন সে গুলোকে যথাযথ ভাবে পালন করার নামই হল ইবাদত।"
(সুরা নাহল/১৬ঃ৩৬,সুরা হিজর /২৫ঃ৯৯ ও সুরা আম্বিয়া/২১ঃ২৫
আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"যে ব্যক্তি তার রব্বের সাক্ষাৎ লাভের (জান্নাতি হওয়ার) অাশা রাখে সে যেন নেক কাজ করে।তার রব্বের ইবা দতে অন্য কাউকে শরীক না করে।"
(সুরা কাহফ/১৮ঃ১১০ আয়াত)
কুরঅান অনুসরনই আল্লাহর ইবাদ ত ,মহান আল্লাহতা'আলা বলেনঃ- "আমি তোমার নিকট এই কিতাব (কু রআন) সত্যসহ অবতীর্ন করিয়াছি। সুতরাং আল্লাহর ইবাদত কর তাঁহার আনুগত্য বিশুদ্ধচিত্ত হইয়া।"
(সুরা যুমার /৩৯ঃ২ আয়াত)
তিনি তাঁর নাবীকে বলেন,তুমি বল, আমি তো আদিষ্ট হইয়াছি আল্লাহর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হইয়া তাঁহার ইবা দত (বন্দেগী) করিতে;আর আমাকে হুকুম করা হয়েছে যে,সকলের আগে আমি নিজে মুসলিম (আত্মসর্ম্পন কারী) হই।"
(সুরা যুমার/৩৯ঃ১১-১২আয়াত)
তিনি আরো বলেন,তুমি বলঃ"আমা
র সালাত/নামাজ,আমার ইবাদত,
আমার জীবন ও আমার মরন জগত সমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই উদ্দে শ্যে।তাঁহার কোন শরীক নাই এবং আমি ইহারই জন্য আদিষ্ট হইয়াছি
এবং আমিই প্রথম মুসলিম।"
(সুরা আনআম/৬ঃ১৬২-১৬৪ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"তোমরা মুসলিম হওয়া র পর সে কি তোমাদেরকে কুফরীর নির্দেশ দিবে?"
(সুরা ইমরান/৩ঃ৮০ আয়াত)
আল্লাহর 'ইবাদত পদ্ধতি' 'ইসলাম'
প্রেরন করেছেন বিজয় করার জন্য মনগড়া আমলের তাগুতের ইবাদতে
র ধর্ম থেকে।
মহান আল্লাহতা'আলা বলেনঃ"তিনি
সেই সত্তা,যিনি প্রেরন করেছেন তাঁর
রাসুলকে কুরআনের পথ নির্দেশ ও সত্য ধর্ম ইসলামসহ অন্য সমস্ত (মা
নব রচিত মনগড়া আমলের) ধর্মের
উপর ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য।
যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।"
(সুরা তাওবা/৯ঃ৩৩,সুরা ফাতাহ/
৪৮ঃ২৮ ও সুরা সাফফ/৬১ঃ৯ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি উহাদেরকে এমন কোন কিতাব দিয়াছি যাহার প্রমানের উপর ইহারা নির্ভর করে?
বস্তুত জালিমরা একে অপরকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়া থাকে।"
(সুরা ফাতির/৩৫ঃ৪০ আয়াত)
নিষ্ঠাপূর্ন ইবাদত কেবলমাএ আল্লাহর জন্য।আমরা প্রতি নামাজে সূরা ফাতিহায় এই কথাই স্বীকৃতি দেই; আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার নিকট সাহায্য চাই।"
(সুরা ফাতিহা/১ঃ৪-৫ আয়াত)
ইব্রাহীম(আঃ)বলেনঃ"যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন,তিনিই আমাকে সৎপ থে পরিচালিত করিবেন।এই ঘোষনা সে স্হায়ী বানীরুপে রেখে গেছে তার পরবর্তীদের জন্য যাতে তারা আল্লাহ র দিকে ফিরে আসে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ২৭-২৮ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসুল কে বলেনঃ"আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের ইবাদত/দাষত্ব করবে ন না।করলে আপনি শাস্তি প্রাপ্তদের শামিল হয়ে পরবেন।আপনি আপনা র নিকট আত্মীয়দেরকে সতর্ক করুন" (সুরা শূরা/২৬ঃ২১৩-২১৪ আয়াত)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ-
"বিধান দেয়ার অধিকার শুধু আল্লাহর ই,তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে,তোমরা শুধুমাএ তাঁর ইবাদত করবে আর কারো ইবাদত করবে না,এটাই সরল সঠিক দীন,কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এটা অবগত নয়।"
(সুরা ইউসুফ/১২ঃ৪০ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্যে সম্পূর্ন (পরি পূর্ন) করে দিয়েছি এবংআমার নিয়াম
ত তোমাদের প্রতি পূর্ন করেছি আর
তোমাদের জন্যে ইসলামকে তোমা দের দীন হিসাবে কবুল করে নিয়েছি।
(সুরা মায়েদা/৫ঃ৩ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"হে ঈমানদারগন!তোম রা পরিপূর্নভাবে ইসলামে প্রবেশ কর আর শয়তানের অনুসরন করনা
কেননা শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন।"
(সুরা বাকারা/২ঃ২০৮ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"আমি আপনাকে প্রতি
ষ্ঠিত করেছি দীনের এক বিশেষ পন্হা র উপর অতএব আপনি এর অনুসরন করুন;এবংমূর্খদের প্রবৃত্তির অনুসরন করবেন না।"
(সুরা জাসিয়া/৪৫ঃ১৮ আয়াত)
তিনি রাসুলকে বলেনঃ"আপনি তার উপর অটল থাকুন যা আপনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে নাযিল করা হয়েছে। নিশ্চয় আপনি রয়েছেন সরল সঠিক পথে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩ঃ৪৪ আয়াত)
তিনি বলেনঃ"যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরনে (কুরআন ও সুন্নাহ) বিমূক হয় আমি তার জন্যে নিয়ো জিত করি এক শয়তান,অতঃপর সেই হয় তাহার সহচর (সঙ্গী)।আর সেই শয়তানেরাই মানুষকে সৎপথে বাধা প্রধান করে যে তারা সৎপথে পরিচালিত হইতেছে।অবশেষে যখন সে আমার নিকট উপস্হিত হইবে তখন সে শয়তানকে বলিবে,হায়! আমার ও তোমাদের মধ্যে যদি পূর্ব ও পশ্চিমের ব্যবধান থাকিত! কত নিকৃষ্ট সহচর সে।"
(সুরা যুখরুফ/৪৩:৩৬-৩৮ আয়াত)
উপর উল্লিখিত আয়াত ও সহীহ হাদীস সমূহে প্রমান করে মহান আল্লাহ তা'আলা দানব,মানব সৃষ্টি করে তাদের জন্য জান্নাত ও জাহান্না ম সৃষ্টি করেন।জান্নাতিদের ও জাহা ন্নামীদের জন্যে মাযহাব/পথ বা আম লও সৃষ্টি করে দিয়েছেন।তিনি কতম হান যিনি তাঁর আওয়াতাধীন রেখে ছেন কাকে জান্নাতের আমল ও জাহা ন্নামের আমল করাবে।দয়াময় আল্লা হ বলেন, তিঁনি যাদেরকে তাঁর ইবাদ ত করাবেন না;তারা ইবলীশ শয়তা নের ইবাদত করবে তাদের আমলগু লি হবে দানব মানব রচিত কিতাবের আমলের অনুরুপ।আর তিনি যাকে তাঁর ইবাদত করাবে তার আমল কুর আন অনুযায়ী হবে।তিনি তাঁর দীন ইসলামকে বিজয় করার জন্যই তাঁর পক্ষ থেকে ইবাদত পদ্ধতি ইসলাম দিয়েছেন।আর ভারত উপমহাদেশে এই ইসলামকে পরাজয় করার জন্য ইংরেজদের দেওয়া মনগড়া ইবাদত পদ্ধতি আমলের কিতাব রচনা করে, তার তাবলীগ,অামল,বয়ান ও ওয়াজ করে,ইংরেজদের রেখে যাওয়া বিধর্মী দের বানোয়াট মনগড়া ধর্ম বিজয় করতেছে ইসলামের নামে;সঠিক ইস লামের কবর দিয়ে।আল্লাহর ইবাদত পদ্ধতির সঠিক জ্ঞান না থাকার কার নে ভারত উপমহাদেশে ইংরেজদের দেওয়া কিয়াস ইজমা মাযহাবের ধর্ম পালনের মাধ্যমে শয়তানের ইবাদত করিতেছে;আল্লাহর ইবাদতের নামে।
তিঁনি কতমহান তাঁর ইবাদ করে, ইসলামকে বিজয় করার জন্য ম'মিন মুত্তাকী ও মুসলিমদের,জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন রাসুল (সঃ) কে অনুসরনের এবং রাসুল (সঃ) মুত্যুর পর শয়তানে র দল ধোকা দিতে না পারে তার জন্য রাসুল (সঃ) একমাএ তাঁর সাহা বীদের অনুসরনের নির্দেশ দিয়েছেন।
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"তোমরা আ মার ও আমার খুলাফায়ে রাশেদীনে র সুন্নাত (তরিকা/মাযহাব) কে আক ড়ে ধর।"
(ইবনে মাজাহ)
তিনি আরো বলেছেনঃ"একমাএ আমি এবং আমার সাহাবীদের যারা অনুসরন করে তারা ছাড়া অন্যরা জাহান্নামী।"
(তিরমিযী)
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ"হে মু'মিনগন!তোমরা রুকু কর,সিজদা কর এবং তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত কর ও সৎকর্ম কর,যাহাতে সফলকাম হইতে পার।"
(সুরা হাজ্জ/২২ঃ৭৭ আয়াত)
তিনি আরো বলেনঃ"ইয়াকীন তথা মৃত্যু উপস্হিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদত কর।"
(সুরা হিজর/১৫ঃ৯৯ আয়াত)

No comments:
Post a Comment