-------------------------------------------------------------------------
comments-
Muhammad Khalid এমন এক ঘুম যে তার বউ চুরি হইলেও টের পাবে না!!! একঘুমে পুলসিরতে ঐ পাড়ে!
রায়পুরা নরসিংদী ha ha ha

Write a reply...
Muhammad Khalid দিনের খেদমত করতে হবে নবীয়ালা কাম করতে হবে দিনের ফিকির করতে হবে । দ্বীনের জন্য ঘর ছাড়তে হবে মাল ব্যয় করে চিল্লা দিতে হবে এগুলা সবাই কি বুঝে?
মোল্লা জসিম উদ্দিন ঠিক। এখনো শতবর্ষ হয়ে নি।
Emranul Haque Emran ভাই আপনি কোথাও ভুল করছেন। কারন আপনাদের মতো ফেবুতে চেচিয়ে দেখাতে হবে কার দিলে দ্বীন হেফাজত করার স্পিহা আছে। এটা মনে রাখবেন সবাই চেচায় না কেউ কেউ চুপিসারে প্লান তৈরী করে।
Muhammad Khalid কেউ চেচাবে কেউ প্লান করে কেউ ৬উসুলে প্লান করে ........
Siratul Mustakim ঘুমাইয়া থাক আর স্বপ্ন দেখেতে থাক।---- শেষ পর্যন্ত জাহান্নামের স্বপ্ন(আল্লাহ’ই ভাল জানেন)....একদম সঠিখ কথা।
MD Umair ইলিয়াসী তাবলীগ বনাম রাসূলের তাবলীগ : . (১) তারা নিজেরা কুরআন বুঝে না অন্যদেরকেও বুঝতে দেয় না। কিন্তু রাসূল (ছাঃ) নিজে কুরআন শিখিয়েছেন এবং তার প্রচারকও ছিলেন। . (২) তাদের দাওয়াতী নিয়ম স্বপ্নে প্রাপ্ত। (মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১ ।) রাসূলের দাওয়াতী নিয়ম স্বয়ং আল্লাহ প্রদত্ত (মায়েদা ৬৭) । . (৩) তাদের দাওয়াতের মধ্যে সপ্তাহে ১ দিন, মাসে ৩ দিন, বছরে ১ চিল্লা, কমপক্ষে জীবনে ৩ চিল্লা লাগিয়ে দ্বীনি কাজ শিখতে হবে। (মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১ ।) পক্ষান্তরে রাসূলের দাওয়াতী কাজ এগুলোর কোন অস্তিত্ব নেই। . (৪) তাদের দাওয়াতের মধ্যে ইসলামের একটি অপরিহার্য বিধান ও আল্লাহর প্রিয় জিহাদ নেই। কিন্তু রাসূলের দাওয়াতে জিহাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। . (৫) তাদের দাওয়াতে কাফের মুশরিকদের কোন বাধা নেই। আপনি ধরম নিরপেক্ষ হোন,আওমীলীগ হোন,তাগুতের অনুসারী হোন,পীরের মুরিদ হোন,বিদাতী হোন তাতে তাদের কোন সমস্যা নাই।শুধু আপনি চিল্লা লাগান। . রাসূল (ছাঃ) যখন দাওয়াত দিতেন তখন কাফের মুশরিক বাধা দিত।উনি আগে মানুষের কাছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বা তাওহীদের দাওয়াত দিতেন। . (৬) তাদের দাওয়াতী কাজ শেখার মূল উৎস হল ‘ফাযায়েলে আমাল’। কুরআনের চেয়েও তারা ফাযায়িলে আমাল-এর গুরুত্ব বেশী দেয়। অথচ রাসূলের দাওয়াত শেখার মূল উৎস হচ্ছে কুরআন ও ছহীহ হাদীছ। আর কুরআনের মর্যাদা হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। . (৭) তারা রাষ্ট্রপ্রধান বা ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে,ত্বাগুতের বিরুদ্ধে,মানবরচিত বিধানের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে না।তারা এমন কিছু বলেনা যাতে কুফফাররা অখুশি হই,এইজন্য তাদের ইস্তেমা করতে দেয়া হই,তাদের উপর কোন মামলা-হামলা হইনা। . রাসূল তৎকালীন রাষ্টপ্রধান ও ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, শিরক ও ইসলাম বিরোধী কাজে বাধা দিয়েছেন।নবীজি যখন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর দাওয়াত দেন তখনকার আবু জাহেল,আবু লাহাবরা মারতে উঠেছিল। . (৮) তারা কোন দাওয়াতী কাজ করার সময় কুরআন হাদীছের দলীল পেশ করে না, নিজেদের মনগড়া কথা বলে। রাসূল নিজে কোন কিছু বলার বা দাওয়াত দেবার আগে দলীল পেশ করতেন। . (৯) তারা কোন মতেই কারো সাথে যুদ্ধ করতে চায় না। রাসূল যুদ্ধ করতে গিয়ে নিজের দাঁতকে শহীদ করেছেন। . (১০) তারা শুধু দাওয়াত কিভাবে দিবে তা শেখায় যদিও তা ইসলামী পদ্ধতিতে নয়; অন্য কোন কিছু তারা শিখায় না। . রাসূল (সা)নামাজ,রোজা,হ্বজ্জ,যাকাত, কুফুরী, নিফাক,শিরক,বিদাত,ঈমান,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,ঈমান ভংগের কারন,তাকফীর,তাকদ্বীর,ত্বাগুতের সাথে কুফুরি,জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ,ক্বিতাল ফী সাবিলিল্লাহ সবকিছু শিখিয়েছেন।
MD Umair ১১) ইলিয়াসী তাবলীগ বুযুর্গদের সন্তুষ্টির জন্য করা হয়। (ফাযায়েলে আমাল, ভূমিকা, ১ম পৃষ্ঠা ।) রাসূলের তাবলীগ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য (আন‘আম ১৬; বাইয়েনা ৫) । . (১২) ইলিয়াসী তাবলীগের অলিরা গায়েব জানেন। (যাকারিয়া সাহারানপুরী, অনুবাদ : মোহাম্মাদ সাখাওাত উল্লাহ, ফাযায়েলে ছাদাকাত, (তাবলিগী কুতুবখানা ১৪২৬ হিজরী) ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা : ২৭ ।) অথচ রাসূল (ছাঃ) গায়েব জানতেন না (আন‘আম ৫০; ‘আরাফ ১৮৮) । . (১৩) ইলিয়াস ছাহেবের আক্বীদায় রাসূল (ছাঃ) জীবিত। (ফাযায়েলে হাজ্জ, পৃঃ ১৩০-১৩১ ।) কিন্তু নবী (ছাঃ) ইন্তেকাল করেছেন (যুমার ৩০) । . (১৪) বুযুর্গরা জান্নাত-জাহান্নাম দুনিয়াতে দেখেন। (শায়খুল হাদীছ মাওলানা মুহাম্মাদ যাকারিয়া ছাহেব কান্ধলভী (রহঃ); অনুবাদ : মুফতী মুহাম্মাদ উবাইদুল্লাহ, ফাযায়েলে যিকির, (দারুল কিতাব : বাংলাবাজার, ঢাকা; অক্টোবর, ২০০১ ইং), পৃঃ ১৩৫ ।) জান্নাত এমন যে, না কোন চোখ দেখেছে, না কোন কান শুনেছে এবং না কোন হৃদয় কল্পনা করেছে। (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫৬১২ ।) . (১৫)তারা শুধু ইসলামের একটা সেক্টর নিয়ে কাজ করে, নবীজি সারা জীবন ইসলামের প্রত্যেক্টা সেক্টর এর উপর কাজ করেছেন . (১৬)তারা হই আসমানের উপরের কথা বলবে না হই জমিনের নিচের কথা বলবে . (১৭)তারা দাওয়াত দিতে গিয়ে কোথাও বাধা পেয়েছে এইরকরম ঘটনা শুনেছেন কখনো।না শুনেননি।কারন উনারা যে সিস্টেমে দাওয়াত দেন সেটা বোধ হই রাসুলগন জানতেন না।নাউজুবিল্লাহ।কারন যতজন নবী দাওয়াত দিয়েছেন সবাই হই মার খেয়েছেন না হই অনেক অপমানিত হয়েছেন। . (১৮)তারা এমন কোন কথা তাদের বয়ানে বলেন না যাতে কুফফাররা অখুশি হই।দুনিয়ার কোন দেশে তাদের কোন বাধা নাই। . (১৯)আল্লাহর বিধানের সাথে বিদ্রূপ,রাসুলকে নিয়ে কটুক্তি,আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে মানবরচিত বিধান দিয়ে দেশ পরিচালনা,কুফুরী সংবিধান দিয়ে দেশ পরিচালনা,নারী নেত্রীত্ত দিয়ে দেশ পরিচালনা,আলেমদেরকে বন্ধী-নিরযাতন করা, মাঝার পুজা,পীর পুজা ইত্যাদির বিরুদ্ধে কোন দিন বলতে শুনেছেন?কখনো শুনবেন না ইনশাল্লাহ।
MD Umair তারা দিনের খেদমত করে কিন্তু দ্বীনের খেদমত করেনা







No comments:
Post a Comment